অর্থনীতি ডেস্ক | রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩ | প্রিন্ট | 104 বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
টাকা জমা বা তুলতে ব্যাংকের শাখায় না গিয়ে কার্ডভিত্তিক লেনদেনে গ্রাহকের আগ্রহ বাড়ছে। এতে করে সময় ও খরচ হচ্ছে কম। আবার নগদ বহনের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে না। গত মে মাসে বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ডের বিপরীতে মোট ৪২ হাজার ১২১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা ১৩ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা বা ৪৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা মহামারি শুরুর পর কার্ডভিত্তিক লেনদেনে গ্রাহকের আগ্রহ আগের তুলনায় বাড়তে থাকে। এখন নতুন করে শাখা বা স্পর্শযোগ্য ডিভাইস ছাড়াই লেনদেনের বিভিন্ন উপায় বের করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সময়ের প্রয়োজনে শাখা ছাড়া ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগ্রহীদের কাছ থেকে গত ২১ জুন থেকে আগামী ১ আগস্টের মধ্যে আবেদন নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর ইস্যু করা মোট কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ কোটি সাড়ে ৭ লাখ। এক বছর আগের তুলনায় বেড়েছে ৭২ লাখ বা সাড়ে ২৩ শতাংশ।
মোট কার্ডের মধ্যে ডেবিট কার্ড রয়েছে ৩ কোটি ১৭ লাখের বেশি। ক্রেডিট কার্ড রয়েছে ২২ লাখ ১৬ হাজার। আর প্রিপেইড কার্ড রয়েছে ৪০ লাখ ৩৭ হাজার। গত মে পর্যন্ত সারাদেশে এটিএম বুথের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৬৫৮টি। এসব বুথের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার পয়েন্ট অব সেলসের (পিওএস) মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা। ৩ হাজার ২১১টি ক্যাশ রিসাইকেলিং মেশিনের (সিআরএম) বিপরীতে লেনদেন হয়েছে ৮ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। ই-কমার্সে পরিশোধ হয়েছে ১ হাজার ২৭০ কোটি টাকা।
ডিজিটাল লেনদেনে আগ্রহী করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্যাশলেস লেনদেন আরও এগিয়ে নিতে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন উৎসাহিত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করে এক ব্যাংক বা এমএফএস থেকে আরেক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক পরিশোধ করতে পারছেন। বিশেষ করে ফুটপাথ বা ভ্রাম্যমাণ দোকানিরা কিউআরে বিল নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
Posted ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam