শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

পাকিস্তানের ‘আত্মরক্ষার অধিকার’কে সমর্থন আমেরিকার

  |   শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   67 বার পঠিত

পাকিস্তানের ‘আত্মরক্ষার অধিকার’কে সমর্থন আমেরিকার

প্রতিবেশী আফগানিস্তানের তালেবান শাসকদের সঙ্গে পাকিস্তানের চলমান সংঘাতকে ‘উন্মুক্ত যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে ইসলামাবাদ। এই চরম উত্তেজনার মুহূর্তে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, উগ্রবাদী হামলার বিরুদ্ধে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাকিস্তানের ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ রয়েছে এবং সে অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে। খবর রয়টার্স।

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিবৃতিতে আফগান তালেবানকে ‘বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তালেবানরা তাদের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ক্রমাগত ব্যর্থ হচ্ছে এবং আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে ভয়াবহ হামলা চালানো হচ্ছে।‘ মার্কিন কূটনীতিক অ্যালিসন হুকার শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালোচের সঙ্গে এ বিষয়ে বিশেষ আলোচনা করেছেন।

গত সপ্তাহের শেষে আফগান ভূখণ্ডে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর থেকেই পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। বৃহস্পতিবার আফগান বাহিনী সীমান্তে পাল্টা আক্রমণ চালালে দীর্ঘদিনের চাপা উত্তেজনা এক ভয়াবহ রূপ নেয়। পাকিস্তানের দাবি, তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর মতো গোষ্ঠীকে আফগানিস্তান আশ্রয় দিচ্ছে। যদিও তালেবান শাসকরা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, পাকিস্তান নিজের নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় অন্যের ওপর চাপাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে পাকিস্তানের উত্তর–পশ্চিম সীমান্তে সামরিক অবস্থান ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আফগানিস্তান থেকে চালানো হয় ড্রোন হামলা। এর পাল্টা হিসেবে পাকিস্তানও ব্যাপক হামলা চালায়। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তাদের হামলায় তালেবানের ২৭৪ জন সদস্য ও জঙ্গি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে আফগান পক্ষ দাবি করেছে, তাদের হামলায় পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা নিহত হয়েছে। তবে স্বাধীনভাবে এসব তথ্য যাচাই করা যায়নি।

পাকিস্তান নিশ্চিত করেছে যে, তাদের ১২ জন সেনা নিহত হয়েছে। আফগানিস্তান বলছে, তারা ১৩ জন তালেবান যোদ্ধাকে হারিয়েছে।

পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা আফগানিস্তানের তুলনায় অনেক বেশি। তবে ২০ বছর ধরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে লড়ে আসা তালেবানরা গেরিলা যুদ্ধে অত্যন্ত পারদর্শী। দুই পক্ষই এই লড়াইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ এ পরিস্থিতিকে সরাসরি ‘যুদ্ধ’ বলে বর্ণনা করেছেন।

সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর শুক্রবার কিছুটা সুর নরম করেছে কাবুল। তালেবান শাসকরা জানিয়েছে, তারা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে আগ্রহী। তবে ওয়াশিংটন মনে করিয়ে দিয়েছে যে, পাকিস্তান তাদের অন্যতম ‘নন-ন্যাটো’ মিত্র এবং এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন জরুরি।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com