অর্থনীতি ডেস্ক | রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ | প্রিন্ট | 87 বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন বা স্বাস্থবিধি (ওয়াশ খাত) খাতে ব্যয় দেশের মোট জিডিপির ২ দশমকি ১৮ শতাংশ। খানাপ্রতি বছরে গড়ে ওয়াশ বাবদ ১১ হাজার ৫৭৪ টাকা। এর মধ্যে পানির জন্য ১ হাজার ৫০২ টাকা, স্যানিটেশনে ১ হাজার ৯৮৫ টাকা এবং স্বাস্থ্যবিধি বাবদ ৮ হাজার ৮৭ খরচ হয়। ওয়াশ বাবদ ব্যয় খানার আয়ের ৪.৩ শতাংশ। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত ন্যাশনাল ওয়াশ হিসাবে এমন তথ্য রয়েছে। শহর ও গ্রাম উভয় ক্ষেত্রেই দরিদ্র এবং দরিদ্রতম আয়ের খানা তাদের আয়ের বড় অংশ ওয়াশে ব্যয় করে। ২০২০ সালের ওয়াশ ব্যয়ের ওপর এ প্রতিবদেন রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো–বিবিএস।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিবিএস আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিবেদনের মোড়ক উম্মোচন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী। সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ওয়াটারএইড দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক পরিচালক ড. খায়রুল ইসলাম এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান। ন্যাশনাল ওয়াশ অ্যাকাউন্টস প্রণয়ন কার্যক্রমের ফোকাল পয়েন্ট ও বিবিএসের উপপরিচালক আলমগীর হোসেন প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের অবসান, সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা, শোভন কর্মসংস্থান এবং গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি এসডিজি–৬ অর্জনে সকলের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী সুপেয় পানি ও স্যানিটেশনের প্রাপ্যতা ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ওয়াশ খাতে অগ্রগতি অর্জনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ড. শাহনাজ আরেফিন বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুরোধে বিবিএস ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রণীত ‘ট্র্যাকফিন’ গাইডলাইন অনুসরণ করে সফলতার সঙ্গে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘ন্যাশনাল ওয়াশ অ্যাকাউন্টস’ প্রণয়ন করেছে। মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, এ খাতে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়নে ব্যক্তিগত, সরকারি ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয়ের কোনো গতিপ্রকৃতি জানা না থাকায় সম্পদের সঠিক বণ্টন ও ব্যয় নিশ্চিত করা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল।
ড. খায়রুল ইসলাম বলেন, প্রথমবারের মতো প্রণীত বেঞ্চমার্ক উদ্যোগ ওয়াশ ব্যয়ের গতিপ্রকৃতি চিহ্নিতকরণ ও এ খাতে অর্থায়নের অবস্থা ট্র্যাকিং করার মাধ্যমে তথ্যপ্রমাণভিত্তিক দূরদর্শী পরিকল্পনা প্রণয়নে সক্ষমতা বাড়াবে। হাসিন জাহান বলেন, ন্যাশনাল ওয়াশ অ্যাকাউন্টস প্রণয়ন ও গ্রহণের মাধ্যমে সর্বজনীন ওয়াশ পরিষেবা নিশ্চিতে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সহজতর হবে।
Posted ১:৩১ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam