শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বুকেলের ব্যতিক্রমী ‘বন্দি বিনিময়’ প্রস্তাব

  |   সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   62 বার পঠিত

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বুকেলের ব্যতিক্রমী ‘বন্দি বিনিময়’ প্রস্তাব

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বুকেলের ব্যতিক্রমী ‘বন্দি বিনিময়’ প্রস্তাব

এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নাইব বুকেলে ভেনেজুয়েলাকে এক ব্যতিক্রমী বন্দি বিনিময় প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত হয়ে তার দেশে বন্দি থাকা ২৫২ জন ভেনেজুয়েলানকে ফেরত পাঠাতে প্রস্তুত—যদি ভেনেজুয়েলা একই সংখ্যক রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেয়। খবর বিবিসি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় বুকেলে সরাসরি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি এই প্রস্তাব রাখেন। তিনি লেখেন, ‘আমি আপনাকে (মাদুরো) একটি মানবিক চুক্তির প্রস্তাব দিতে চাই, যার আওতায় ২৫২ জন ভেনেজুয়েলানকে ফেরত পাঠানো হবে। বিনিময়ে আপনি আপনার কারাগারে থাকা হাজারো রাজনৈতিক বন্দির মধ্য থেকে সমসংখ্যককে মুক্তি দেবেন।‘

বুকেলে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো অনেক ভেনেজুয়েলান ধর্ষণ ও হত্যার মতো অপরাধে জড়িত। অথচ মাদুরোর বিরোধিতার কারণে রাজনৈতিক বন্দিরা কারাগারে রয়েছে। তবে ভেনেজুয়েলার সরকার বরাবরই রাজনৈতিক বন্দি থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে, যা মানবাধিকার সংগঠনগুলো নাকচ করেছে।

এ বন্দি বিনিময় প্রস্তাবে বুকেলে আরো উল্লেখ করেছেন, কারাগারে থাকা অন্যান্য দেশের নাগরিকদের মধ্যেও প্রায় ৫০ জন বন্দি রয়েছে, যার মধ্যে মার্কিন নাগরিকও রয়েছেন।

ভেনেজুয়েলা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০-র বেশি ভেনেজুয়েলানকে এল সালভাদরে পাঠানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই ব্যক্তিদের ভেনেজুয়েলার কুখ্যাত ‘ত্রেন দে আরাগুয়া’ অপরাধী চক্রের সদস্য বলে অভিযুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এল সালভাদর সরকারকে অর্থ প্রদান করে এসব ব্যক্তিকে কুখ্যাত ‘টেরোরিজম কনফাইনমেন্ট সেন্টার’-এ আটক রাখছে।

মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের নির্বাসন নীতিকে ‘অপহরণ’ এবং ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনের নজিরবিহীন ঘটনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

ট্রাম্প প্রশাসন ১৭৯৮ সালের ‘এলিয়েন এনিমিস অ্যাক্ট’ অনুসরণ করে এই বন্দিদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। এই আইন প্রেসিডেন্টকে ‘শত্রু রাষ্ট্রের’ নাগরিকদের প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই গ্রেফতার ও নির্বাসনের ক্ষমতা দেয়। যুদ্ধকালীন সময় ছাড়া এ আইনের প্রয়োগ অতীতে মাত্র তিনবার হয়েছে। হোয়াইট হাউস এই আইনি চ্যালেঞ্জগুলোকে ‘মিথ্যা মামলাবাজি’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৪:৩৭ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com