| রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 88 বার পঠিত
ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ব্যাংক ঋণ পরিশোধের উদ্দেশ্যে ২০১৮ সালে পুঁজিবাজার থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল আমান কটন ফাইব্রাস পিএলসি। তবে আইপিওতে আসার সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ব্যবসা সম্প্রসারণে ১ টাকাও ব্যয় করতে পারেনি কোম্পানিটি। আইপিও তহবিলের ৮৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ অর্থ এখনো অব্যবহৃত রয়েছে বলে নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
আইপিও তহবিল ব্যবহারসংক্রান্ত নিরীক্ষকের প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, এ বছরের জুলাই শেষে আইপিওর ৮০ কোটি টাকার মধ্যে ৮ কোটি ২৫ লাখ ১ হাজার ৬৬৩ টাকা ব্যয় করেছে আমান কটন, যা মোট তহবিলের ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ। অব্যবহৃত রয়েছে ৭১ কোটি ৭৪ লাখ ৯৮ হাজার ৩৩৭ টাকা। এর মধ্যে যন্ত্রপাতি বাবদ ৬৬ কোটি ৩৩ লাখ ৭৫ হাজার ও ব্যবসা সম্প্রসারণ বাবদ ৫ কোটি ৩৯ লাখ ৩৪ হাজার ৩৬৫ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এখনে পর্যন্ত এ দুই খাতে কোনো অর্থ ব্যয় করতে পারেনি কোম্পানিটি।
কোম্পানিটির আইপিও তহবিলের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে নিরীক্ষক তার মতামতে জানিয়েছেন, বর্তমানে কোম্পানিটির ব্যাংকে গচ্ছিত এফডিআরের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৯১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৬০ টাকায়। এর মধ্যে ৭৩ কোটি টাকা আসল ও ৭ কোটি ৯১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৬০ টাকা সুদ। এফডিআরের ক্ষেত্রে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ৩৮ কোটি ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে ৩৫ কোটি রাখা হয়েছে। এফডিআরের বিপরীতে লিয়েন সুবিধার আওতায় আমান ফুডস লিমিটেড ও আকিন ক্যারিয়াস লিমিটেড ঋণ সুবিধা ভোগ করছে। ২০২১ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ বিনিয়োগের বিষয়ে অনুমোদন নেয়া হয়েছে।
Posted ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam