শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

ভারতের রাষ্ট্রপতির হাত ধরে যাত্রা শুরু ‘‌আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’‌র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   শুক্রবার, ১৮ আগস্ট ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   77 বার পঠিত

ভারতের রাষ্ট্রপতির হাত ধরে যাত্রা শুরু ‘‌আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’‌র

সংগৃহীত ছবি

কলকাতায় আইএনএস বিন্ধ্যগিরি জাহাজের উদ্বোধন করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বৃহস্পতিবার বিকেলে এটির উদ্বোধন করা হয়। এটি ভারতীয় নৌ বাহিনীর ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের মধ্যে একটি জাহাজ। আইএনএস বিন্ধ্যগিরি তৈরি করেছে কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)।

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতীয় নৌ বাহিনীর ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পে মোট ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি করছে ভারত। মুম্বাইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে এর মধ্যে চারটে জাহাজ তৈরি হয়েছে। বাকি তিনটি গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সে তৈরি হয়েছে।

সমরাস্ত্র মোতায়েন সহ একেবারেই প্রযুক্তি নির্ভর এই জাহাজে রয়েছে স্টিলথ ফিচার্স, অত্যাধুনিক সেন্সর। যা মুহূর্তে শত্রপক্ষের জাহাজ কিংবা সাবমেরিন ট্র্যাক করতে সক্ষম। একসঙ্গে ছয় হাজার ৬৭০ টন গোলাবারুদ এবং অন্যান্য জিনিসপত্র বহন করতে পারে এই জাহাজ। শক্তিশালী এই জাহাজ থেকে বারাক-৮ মিসাইল লঞ্চ করতে সক্ষম। এই যুদ্ধ জাহাজ থেকে ভারতের হাতে থাকা ঘাতক মিসাইল ব্রহ্মস নিক্ষেপ করা সম্ভব। আধুনিক রেডার সিস্টেম রয়েছে এই জাহাজে। অ্যান্টি সাব মেরিন ওয়েপন সিস্টেম দিয়ে সজ্জিত কলকাতায় তৈরি এই জাহাজ। ১৫০ মিটার লম্বা এবং ৩৭ মিটার উঁচু এই জাহাজ ২৮ নট গতিতে ছুটতে সক্ষম। এই জাহাজের নামকরণ করা হয়েছে কর্ণাটকের পর্বতশ্রেণীর নামানুসারে।

ভারতের তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে এদিন বোতাম টিপে জাহাজটির উদ্বোধন এদিন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্ম। একই সঙ্গে জাহাজের গায়ে স্বস্তিকা চিহ্ন এঁকে দেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি নারকেল ফাটিয়ে, মালা পরিয়ে জাহাজের পুজো করেন তিনি। গার্ডেনরিচের এই অনুষ্ঠানে ভারতীয় নৌ বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল পি হরি কুমারের সঙ্গেই উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

এদিন নির্দিষ্ট সময়ে এই যুদ্ধজাহাজের নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্যে নির্মাণ সংস্থা জিআরএসই ধন্যবাদও জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। একই সঙ্গে দেশের সুরক্ষায় ভারতীয় নৌ বাহিনীর অবদানের কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। যেভাবে জলসীমায় পাহাড়াদার হিসেবে নৌবাহিনী কাজ করছে সেই অবদানের কথাও রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে উঠে আসে।

অন্যদিকে নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল পি হরি কুমার বলেন, কমব্যাট প্ল্যাটফর্মের দিক থেকে এই ধরনের জাহাজ নৌ বাহিনীর হাতে আসায় মেরিটাইম সিকিউরিটি অনেক বেশি শক্তিশালী হয়। আমাদের জন্য আজ এটা খুব গর্বের দিন। এই ফ্রিগেট যে শুধু অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি তাই নয়, অস্ত্রও সজ্জিত রয়েছে অত্যন্ত আধুনিক মানের। আমাদের মেরিটাইম ক্যাপাবিলিটি পরিকল্পনা তৈরি করা রয়েছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে আমাদের দেশের মেরিটাইম ক্যাপাবিলিটি অনেক বেশি আপগ্রেড হয়ে যাবে। আরো বেশি করে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন হয়ে উঠবে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১২:২৫ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ১৮ আগস্ট ২০২৩

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com