অর্থনীতি ডেস্ক | রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ | প্রিন্ট | 108 বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
বন্দরনগরী চট্টগ্রামেই হলো দেশের প্রথম টানেল। বন্দরের কার্যক্রমে কতটা প্রভাব ফেলবে এ টানেল?
শফিকুল আলম জুয়েল: চট্টগ্রামকে বলা হয় বাণিজ্যিক রাজধানী। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর আছে চট্টগ্রামে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে এই বন্দর। কক্সবাজারে হচ্ছে দেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর। এই দুই বন্দরের কার্যক্রমে যোগসূত্র স্থাপন করবে টানেল। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কোনো পণ্য দক্ষিণ চট্টগ্রাম কিংবা কক্সবাজারে নিতে ব্যবহার হবে টানেল। আবার গভীর সমুদ্রবন্দরের পণ্য চট্টগ্রামসহ দেশের অন্য প্রান্তে নিতে কাজে লাগবে টানেল। এ জন্য কর্ণফুলী নদীর নিচে টানেল নির্মাণের বিষয়টিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে মনে করি আমি।
নদীর ওপরে জাহাজ চলবে। নিচে চলবে গাড়ি। এমন স্বপ্ন কখনও দেখেছেন কিনা?
শফিকুল আলম জুয়েল: বিশ্বের উন্নত দেশে এমন টানেল দেখেছি। কিন্তু নিজের দেশে এমন টানেল হবে সত্যিকার অর্থে তা ভাবিনি আমি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কল্পনাকেও হার মানিয়েছেন। চট্টগ্রামবাসীকে উপহার দিয়েছেন অত্যাধুনিক একটি টানেল। মাত্র তিন মিনিটে এ টানেল দিয়ে পাড়ি দেওয়া যাবে সাড়ে তিন কিলোমিটার পথ। এটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যাধুনিক। তবে মনোযোগ রাখতে হবে রক্ষণাবেক্ষণে। সেটি যদি ঠিকমতো করা যায় তাহলে টানেল থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় করতে পারব আমরা।
মিরসরাইয়ে শিল্প নগরের সঙ্গে টানেলের যোগসূত্র স্থাপিত হবে কীভাবে?
শফিকুল আলম জুয়েল: মিরসরাইয়ে হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় শিল্প নগর। পাঁচ শতাধিক কারখানা উৎপাদনে যাবে সেখানে। সাড়ে সাত লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞের প্রভাব পড়বে চট্টগ্রাম শহরেও। মিরসরাইয়ের সঙ্গে সাগরপথে মেরিন ড্রাইভ যুক্ত হবে টানেলের সঙ্গে। সেটি সাগরপাড় হয়ে চলে যাবে টেকনাফ পর্যন্ত। এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ হবে। এটি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। সাশ্রয় হবে ব্যবসায়ীদের সময়। কমবে পরিবহন ব্যয়ও। সাক্ষাৎকার দুটি নিয়েছেন সারোয়ার সুমন
Posted ১:২৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam