| সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 86 বার পঠিত
বিশ্বের সাতটি প্রধান রফতানিকারক অঞ্চলে ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে তরল দুধ উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। এতে সামনের দিনগুলোয় কমে আসতে পারে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে রাবোব্যাংকের গবেষণা শাখা রাবোরিসার্চ। খবর আইরিশ ফারমারস জার্নাল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে তরল দুধ উৎপাদন ২০২১ সালের পর সবচেয়ে দ্রুত বেড়েছে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড নতুন মৌসুমের শুরুতেই রেকর্ড দুধ উৎপাদন করেছে। এ প্রবৃদ্ধির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে কৃষকদের মুনাফা বৃদ্ধি, গত বছরের রোগব্যাধি থেকে পুনরুদ্ধার ও অনুকূল আবহাওয়া।
তবে উৎপাদন বাড়লেও বৈশ্বিক চাহিদা দুর্বল থাকায় রফতানিযোগ্য উদ্বৃত্ত তৈরি হচ্ছে। এতে ২০২৬ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত দুগ্ধজাত পণ্যের দামে নিম্নমুখী ধারা বজায় থাকতে পারে।
রাবোরিসার্চের গ্লোবাল ডেইরি স্ট্র্যাটেজিস্ট মেরি লেডম্যান বলেন, ‘ভোক্তারা ভবিষ্যৎ আয়, কর্মসংস্থান, অর্থনীতি বা বাজার পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছেন। এ কারণে তাদের ঐচ্ছিক খরচ কমছে। খাদ্যসেবা খাতের নানা ক্ষেত্রে এর প্রভাব স্পষ্ট।’
লেডম্যান জানান, চীনে এখনো দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা নিম্নমুখী। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চাহিদা পুনরুদ্ধারের সংকেত মিশ্র। যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমবাজার ও শুল্ক নিয়ে উদ্বেগ ভোক্তা আস্থায় চাপ তৈরি করছে। দুধ ও দুগ্ধপণ্যের চাহিদা পুনরুদ্ধারে ভোক্তা আস্থার উন্নতি অপরিহার্য।
Posted ৭:২৬ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam