শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংস্কারে যে ব্যাখ্যা দিল মন্ত্রণালয়

  |   মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   103 বার পঠিত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংস্কারে যে ব্যাখ্যা দিল মন্ত্রণালয়

‘সংস্কারহীন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতপরবর্তী সরকারের জন্য বড় বোঝা হবে’ সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ সোলায়মানের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি ব্যাংক বিমাকে পাঠানো হয়। সেখানে ক্যাপাসিটি চার্জ, রূপসায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বিদ্যুতে ভর্তুকি, ট্যারিফ ও বিনিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সক্ষমতার কারণে বিদ্যুৎ না নিয়েও সরকারকে বাড়তি ক্যাপাসিটি চার্জ গুনতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ আইনের আওতায় উচ্চমূল্যে অপ্রয়োজনীয় বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। যার ফলে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট ও ভর্তুকির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরিকল্পনাবিহীন এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পর থেকে সরকারের দায়দেনা বৃদ্ধি পায়। চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা থাকায় রাতারাতি সব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে গঠিত জাতীয় কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

প্রতিবেদনে খুলনার রূপসায় গ্যাসভিত্তিক উচ্চ কার্যক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হলেও গ্যাসের সংস্থান হচ্ছে না—এমন তথ্য উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, বিগত সরকারের সময়ে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে জ্বালানি বিভাগের সঙ্গে গ্যাসচুক্তি সই হয়। কিন্তু বর্তমানে গ্যাস সংকটের কারণে জ্বালানি বিভাগ কেন্দ্রটি চালু করতে পারছে না। বিকল্প উপায়ে কীভাবে কেন্দ্রটি চালু করা যায় সে বিষয়ে বিকল্প সমাধান বিবেচনা করা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গত এক বছরে আইনগত সংস্কার ও বকেয়া পরিশোধ ছাড়া আর্থিক চাপ কমাতে তেমন কোনো পরিকল্পনা নেয়নি। যে কারণে গ্যাস সংকট, ক্যাপাসিটি চার্জের মতো বিষয়ে আর্থিক চাপ থাকবে, যা পরবর্তী সরকারের জন্য বড় বোঝা হবে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অনিয়ম রোধে বিশেষ আইন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া এ আইনের আওতায় সম্পাদিত চুক্তিতে জনস্বার্থ রক্ষিত হয়েছে কিনা সেটি যাচাই-বাছাই করার জন্য গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি বিশেষ আইনের অধীনে চুক্তি যাচাই-বাছাই করছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com