| রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 90 বার পঠিত
কৃষি মানুষের সবচেয়ে প্রাচীনতম পেশা হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বেশ ঝুঁকির মুখে রয়েছে খাতটি। বিশ্বজুড়ে কৃষকের গড় বয়স ক্রমে বাড়ছে। উন্নত দেশগুলোয় তা ৬০-এর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। খাতটি বিশ্বব্যাপী প্রায় এক-চতুর্থাংশ কর্মসংস্থান সরবরাহ করে। যদি এ খাতে বিপুলসংখ্যক তরুণকে আকৃষ্ট করা না যায়, তাহলে এ খাত মারাত্মক সংকটে পড়বে।
আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৬ শতাংশ, অর্থাৎ ১২০ কোটি মানুষ ১৫-২৪ বছর বয়সী। এদের অনেকেই, বিশেষ করে উন্নয়নশীল বিশ্বে, চাকরির সংকটে ভুগছে। উদাহরণস্বরূপ, ২৫ বছরের কম বয়সীদের সংখ্যা আফ্রিকার জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ এবং ১৫-৩৫ বছর বয়সী এক-তৃতীয়াংশ আফ্রিকান বেকার।
কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। উন্নয়নশীল বিশ্বের তরুণরা এখনো উচ্চ বেতন ও সামাজিক মর্যাদাসম্পন্ন চাকরির খোঁজে গ্রাম ছেড়ে শহর বা বিদেশে চলে যাচ্ছেন। এ প্রবণতার কারণে কৃষি ও গ্রামীণ এলাকায় তরুণ কর্মীদের সংখ্যা কয়েক দশক ধরে কমছে।
কেনিয়ার কথা ধরা যাক, আফ্রিকার এ দেশে ১৯৯০ সালে যেখানে কৃষি খাতে তরুণদের কর্মসংস্থান ছিল ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০২০ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৮ দশমিক ৫ শতাংশে। একইভাবে ২০২৫ সালে ইউরোপের মাত্র ১২ শতাংশ খামার ৪০ বছরের কম বয়সীরা পরিচালনা করছেন। লাতিন আমেরিকায় ২০৩০ সালের মধ্যে ১২ লাখ তরুণ কৃষি ছেড়ে দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নতুন প্রজন্মকে কৃষিতে আকৃষ্ট করতে হলে এ খাতের পুরনো ধারণায় পরিবর্তন আনতে হবে। কৃষিকে তরুণদের কাছে ‘শেষ উপায়’ নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি ‘প্রথম পছন্দ’ হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। কারণ কৃষি শুধু ফসল ফলানো নয়, বরং এটি সরবরাহ চেইনের বিভিন্ন ধাপে—যেমন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহন, খুচরা বিক্রি এবং অন্যান্য সম্পর্কিত শিল্পেও—কর্মসংস্থান তৈরি করে।
Posted ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam