| রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | 94 বার পঠিত
দেশে বর্তমানে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ব্যবহার ১৫ লাখ টনের ওপর। স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস এবং বাসাবাড়িতে পাইপলাইনে নতুন করে গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় এলপিজির ব্যবহার দিন দিনই বাড়ছে। সেই সঙ্গে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ না থাকায় শিল্প-কারখানায়ও বাড়ছে এ গ্যাসের ব্যবহার। ক্রমান্বয়ে এলপিজির ব্যবহার বাড়ায় আগামী ২০৩০ সালে পণ্যটির ব্যবহার ২৫ লাখ টনে পৌঁছাবে। সেই হিসাবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে এলপিজির চাহিদা আরো ১০ লাখ টন বা ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
পর্যায়ক্রমে ২০৪১ সালে এলপিজির চাহিদা ৫০ লাখ টনে উন্নীত হবে। প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে দেশের শিল্প খাতকে সরিয়ে আনতে হলে এটি সহজ বিকল্পও হতে পারে। তবে এলপিজি খাতের প্রসার ও জনসাধারণের কাছে এটিকে সহজলভ্য করতে পলিসি প্রয়োজন।
রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে গতকাল এলপিজি নিয়ে অনুষ্ঠিত পলিসি কনক্লেভের মূল প্রবন্ধে এসব তথ্য উঠে আসে। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. তামিম। ‘বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক এ কনক্লেভের আয়োজন করে বণিক বার্তা।
মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, ‘দেশে প্রাইমারি এনার্জির ৬৫ শতাংশই আমদানি হচ্ছে। তেল ও কয়লার পুরোটাই আমদানিনির্ভর। গ্যাসের বৃহৎ অংশও আমদানি করতে হচ্ছে। বিপরীতে স্থানীয় গ্যাসের উত্তোলন ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে। প্রতি বছর অন্তত ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কমে যাচ্ছে। স্থানীয় গ্যাস উৎপাদনের জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও সেখানে ভালো সংবাদ নেই। ক্রমান্বয়ে সাশ্রয়ী দামে সরবরাহ বাড়ানো গেলে গ্যাসের বড় বিকল্প হতে পারে এলপিজি।’
Posted ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam