| মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | 14 বার পঠিত
সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন টিম কুক। তার জায়গায় দায়িত্ব নিচ্ছেন কোম্পানিটির হার্ডওয়্যার বিভাগের প্রধান জন টার্নাস। এর মাধ্যমে আইফোন নির্মাতা এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে টিম কুকের টানা ১৫ বছরের নেতৃত্বের অধ্যায় শেষ হতে যাচ্ছে। খবর ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।
প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের কাছ থেকে ২০১১ সালে অ্যাপলের সিইওর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন টিম কুক। সম্প্রতি এক ঘোষণায় কোম্পানিটি জানিয়েছে, তিনি এবার পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
এর ফলে গত তিন দশকে অ্যাপলে মাত্র তৃতীয়বারের মতো শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে।
অ্যাপলে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করা জন টার্নাস দীর্ঘদিন ধরেই টিম কুকের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিলেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান পণ্যগুলোর প্রকৌশল কার্যক্রম তদারকি করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে আইফোন, আইপ্যাড এবং ম্যাক।
দায়িত্ব হস্তান্তর প্রসঙ্গে ৬৫ বছর বয়সী টিম কুক বলেন, জন টার্নাস একজন প্রকৌশলীর দৃষ্টিভঙ্গি, উদ্ভাবনী মানসিকতা এবং সততা ও সম্মানের সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলি ধারণ করেন। তিনি অ্যাপলকে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যথাযথ ব্যক্তি।
নতুন সিইও এমন এক সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন, যখন অ্যাপল বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন স্থানান্তর নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এর পাশাপাশি, নতুন প্রধান নির্বাহীকে অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কৌশলও সামাল দিতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে এআই প্রযুক্তি প্রয়োগে প্রতিষ্ঠানটি কিছু সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হয়েছে।
জন টার্নাস বলেন, স্টিভ জবসের অধীনে কাজ করার সুযোগ এবং টিম কুককে মেন্টর হিসেবে পাওয়াকে তিনি নিজের জন্য সৌভাগ্যজনক মনে করেন।
চেয়ারম্যান হিসেবে টিম কুক অ্যাপলের বর্তমান বোর্ড প্রধান আর্থার লেভিনসনের স্থলাভিষিক্ত হবেন। অন্যদিকে, লেভিনসন ১৫ বছর পর বোর্ডের লিড ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
২০০৯ সালে স্টিভ জবস ক্যানসারের চিকিৎসাধীন থাকাকালে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী টিম কুক অস্থায়ী সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১১ সালের আগস্টে জবসের মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি স্থায়ীভাবে এই দায়িত্বে নিযুক্ত হন।
তার নেতৃত্বে অ্যাপলের বাজারমূল্য প্রায় ১০ গুণ বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ২০ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের আইফোন বিক্রি করেছে এবং অ্যাপ স্টোর, অ্যাপল পে ও আইক্লাউডের মতো সেবার মাধ্যমে বছরে ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি আয়ের একটি শক্তিশালী সার্ভিসভিত্তিক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।
Posted ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam