শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

সিআইপি নির্বাচিত হলেন আমিরাতপ্রবাসী ওবায়দুল হক

  |   সোমবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   130 বার পঠিত

সিআইপি নির্বাচিত হলেন আমিরাতপ্রবাসী ওবায়দুল হক

সিআইপি নির্বাচিত হলেন আমিরাতপ্রবাসী ওবায়দুল হক

বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক রেমিট্যান্স প্রেরণের মর্যাদায় কমার্শিয়াল ইম্পর্ট্যান্ট পারসন (সিআইপি) নির্বাচিত হয়েছেন আরব আমিরাতপ্রবাসী ওবায়দুল হক চৌধুরী।

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা উসমানি মেমোরিয়াল অডিটোরিয়ামে সিআইপি সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ২০২৩-২৪ সালে যারা সিআইপি নির্বাচিত হয়েছে তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ সিআইপি পদমর্যাদা পেয়েছে আরব আমিরাত থেকে।

২৪ জানুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে মোমেনিন ওমেন্স অ্যাসোসিয়েশনে ৬১ জন আমিরাতপ্রবাসী সিআইপিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন আমিরাতের বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ, দুবাই কনসুলেট জেনারেল মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজমানের শাসকের ছেলে শেখ মোহাম্মদ সাঈদ রশিদ হুমাইদ।

বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ’২৪ সালের জন্য সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অভিবাসী বাংলাদেশিদের সিআইপি-এনআরবি ক্যাটাগরিতে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ওবায়দুল হক চৌধুরী।

ওবায়দুল হক চৌধুরী আরব আমিরাতে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। আমিরাতে ঠিকাদারি ব্যবসায়ী হিসেবে ২০০৯ সালে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। প্রথমে স্বল্প পরিসরে ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু করলেও বর্তমানে আমিরাতে একাধিক লাইসেন্স ও গাড়ির ওয়ার্কশপের মালিক তিনি।

তার কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে একশোরও বেশি কর্মচারী রয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে আরব আমিরাতের ইলেকট্রিক্যাল মেকানিক্যাল ও প্লাম্বিং ওয়ার্ক সেক্টরে দক্ষ জনশক্তি ও প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবসায়ী হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে দৃষ্টিগোচর হয়। সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণ করে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশাল এক ভূমিকা রাখেন তিনি।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশিদের জন্য আরব আমিরাতের ভিসা বন্ধ থাকায় অনেক প্রতিকূলতার মাঝেও নিজেকে টিকিয়ে রেখেছেন তিনি।

ভিসা বন্ধ প্রসঙ্গে তিনি জানান, আরব আমিরাতের ভিসা বন্ধ হওয়ায় নতুন কাউকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে পারছেন না, এতে বাংলাদেশে বেকারত্বের ওপর চরমভাবে প্রভাব পড়ছে ও দেশের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শ্রমিক ভিসা খুললে আবারও নতুন করে কর্মী আনার ও তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৫

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com