শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ফান্ডিংয়ের নানা সুযোগ

  |   সোমবার, ০২ জুন ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   63 বার পঠিত

কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ফান্ডিংয়ের নানা সুযোগ

কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ফান্ডিংয়ের নানা সুযোগ

বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বৃত্তি: কানাডার অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় মেধা ও আর্থিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বৃত্তি প্রদান করে। এসব বৃত্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে দেয়া হয়। যেমন অসাধারণ একাডেমিক ফলাফলের ভিত্তিতে ব্যাচেলর ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ‘প্রবেশ বৃত্তি’ দেয়া হয়। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর প্রথম বর্ষেই ভালো ফল করলে শিক্ষার্থীরা পেতে পারে ‘ইন-কোর্স বৃত্তি’। কিছু বৃত্তি বিশেষভাবে কেবল আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ থাকে। গবেষণার অভিজ্ঞতা ও উচ্চ গ্রেড থাকলে অনেক শিক্ষার্থী ‘গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপ’ পায়, যাকে অনেক সময় বিভাগীয় বৃত্তিও বলা হয়ে থাকে।

রিসার্চ ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ প্রোগ্রাম: স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম বড় ফান্ডিং উৎস হলো গবেষণা সহকারী এবং শিক্ষণ সহকারী হিসেবে কাজের সুযোগ। গবেষণা সহকারী হিসেবে শিক্ষক বা গবেষকের গবেষণা প্রকল্পে কাজ করতে হয়, যেখানে শিক্ষার্থীর গবেষণামূলক দক্ষতা কাজে লাগে। অন্যদিকে, শিক্ষণ সহকারী হিসেবে শিক্ষার্থীরা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শ্রেণীর টিউটরিং, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কিংবা ল্যাব পরিচালনার কাজে সহযোগিতা করে। এসব কাজের বিনিময়ে টিউশন ফি মওকুফের পাশাপাশি মাসিক ভাতা প্রদান করা হয়, যা দিয়ে বসবাস ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হয়।

সরকারি ও বিভিন্ন এক্সটারনাল স্কলারশিপ: কানাডার সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বৃত্তির ব্যবস্থা রেখেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো ভানিয়ে কানাডা গ্র্যাজুয়েট বৃত্তি: পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ, প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার কানাডীয় ডলার পর্যন্ত দেয়া হয়। অন্টারিও গ্র্যাজুয়েট বৃত্তি: মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য, বার্ষিক ১৫ হাজার কানাডীয় ডলার পর্যন্ত সহায়তা। ব্যান্টিং পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপ: পোস্টডক গবেষকদের জন্য বার্ষিক সত্তর হাজার ডলার পর্যন্ত সহায়তা। কানাডা-আসিয়ান শিক্ষা ও উন্নয়ন বিনিময় বৃত্তি (সিড প্রোগ্রাম): স্বল্পমেয়াদি শিক্ষাবৃত্তি, যা প্রধানত এশিয়ান শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ।

সম্পূর্ণ অর্থসহ গবেষণাভিত্তিক প্রোগ্রাম: কিছু বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণাভিত্তিক মাস্টার্স এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে সম্পূর্ণ ফান্ডসহ ভর্তি গ্রহণ করে থাকে। এ ফান্ডের আওতায় টিউশন ফি, আবাসন ও দৈনন্দিন খরচও অন্তর্ভুক্ত থাকে। এমন কিছু বিশ্ববিদ্যালয় হলো টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়, আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়।

আর্থিক অসচ্ছলতার ভিত্তিতে সহায়তা: কিছু বিশ্ববিদ্যালয় সীমিতসংখ্যক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর জন্য আর্থিক অসচ্ছলতার ভিত্তিতে সহায়তা দিয়ে থাকে। যেমন টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি, যেখানে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে প্রমাণসহ আবেদন করতে হয়। কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ফান্ডিং পাওয়ার সুযোগ শুধু প্রচুরই নয়, বরং বহুমুখী। যোগ্যতা, চেষ্টার মনোভাব এবং যথাযথ প্রস্তুতির মাধ্যমে এসব ফান্ডিং পাওয়া একেবারেই অসম্ভব নয়। কাজেই যারা উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে কানাডায় পাড়ি জমাতে চান, তাদের জন্য এ তথ্যগুলো হতে পারে একান্তই সহায়ক।

 

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৪:৫৪ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ০২ জুন ২০২৫

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com