| রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 102 বার পঠিত
২০২৫ সাল শেষে বিশ্বজুড়ে জেনারেটিভ এআই বা জেনএআই স্মার্টফোনে ব্যবহারকারীদের ব্যয় দাঁড়াবে ২৯৮ দশমিক ২ বিলিয়ন বা প্রায় ৩০ হাজার কোটি ডলার। অর্থের এ পরিমাণ ২০২৫ সালের মোট এআই খরচের ২০ শতাংশ দখল করবে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গার্টনারের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটি আশা করছে, জেনএআই খাতে ব্যবহারকারীদের বিনিয়োগ ক্রমান্বয়ে বাড়বে এবং স্মার্টফোন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
জেনএআই হলো এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি, যা নতুন কনটেন্ট তৈরি করতে পারে; যেমন লেখা, ছবি, ভিডিও, গান বা কোড। চ্যাটজিপিটি, জেমিনি বা অন্যান্য এআই চ্যাটবট ও ছবি তৈরির সিস্টেমই মূলত জেনএআই। জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে লেখা, ছবি, ভিডিও ও কনটেন্ট তৈরি করতে পারে জেনএআই স্মার্টফোন। এসব ফোন ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কাজকে দ্রুত ও সহজ করে তোলে, যেমন স্বয়ংক্রিয় অনুবাদ, চ্যাটবট সহায়তা বা ছবি ও ভিডিও সম্পাদনা। জেনএআই প্রযুক্তির সুবিধা এসব স্মার্টফোনকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তুলেছে এবং স্মার্টফোন বাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।
গার্টনারের সংজ্ঞানুযায়ী, জেনএআই স্মার্টফোন হলো এমন ফোন যার মধ্যে নিউরাল ইঞ্জিন বা নিউরাল প্রসেসিং ইউনিট (এনপিইউ) থাকে। ফলে ডিভাইসটি স্মল ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল চালাতে সক্ষম হয়।
সংস্থাটির পূর্বাভাসে উচ্চমানের স্মার্টফোন ও সাধারণ ফোন (৩৫০ ডলারের নিচে) উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে সাধারণ ইউটিলিটি ফোনগুলো (কল, এসএমএস বা খুব সীমিত ফিচারের জন্য ব্যবহৃত) অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কারণ এগুলোর মধ্যে সাধারণত এনপিইউ সক্ষমতা থাকে না।
Posted ৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam