শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১৫ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ২০১ দশমিক ৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর আগে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৯৭৭ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায়-দেনা বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নিরূপণ করা হয়।v

  |   বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   24 বার পঠিত

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  বুধবার (১৫ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ২০১ দশমিক ৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।  এর আগে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৯৭৭ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার।  উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায়-দেনা বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নিরূপণ করা হয়।v

জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী দুই মাস দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। বর্তমানে দেশে ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন ডিজেল, ৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন অকটেন, ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন পেট্রল এবং ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র বলেন, প্রতি মাসেই জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয়ে থাকে। চলতি এপ্রিল মাসেও তা করা হয়েছে। আগামী মাসের মূল্য নির্ধারণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পেট্রল পাম্পে অতিরিক্ত ভিড়ের বিষয়টি মূলত ঢাকায় দেখা গেলেও দেশের অন্যান্য এলাকায় এমন পরিস্থিতি নেই। আতঙ্কিত হয়ে জ্বালানি সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবারও পেট্রল পাম্পগুলোতে একই পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, কোনো ঘাটতি নেই।

মনির হোসেন চৌধুরী জানান, শিল্প খাতে ব্যবহৃত ডিজেলের কোনো ঘাটতি নেই। চাহিদা অনুযায়ী তালিকা অনুযায়ী নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বেসরকারিভাবে ১৪ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্চ ও এপ্রিল মাসে কিছু ক্রুড অয়েল আমদানি সম্ভব হয়নি। তবে এপ্রিলের শেষ দিকে অথবা মে মাসের শুরুতে সৌদি আরব থেকে ভিন্ন রুটে ক্রুড অয়েল দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি পরিশোধন করা হয়, যা দে

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com