| মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট | 75 বার পঠিত
মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি বিএসইসি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের রূপান্তর ও মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনে সম্মতি দেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ফান্ডটির ট্রাস্টি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিজিআইসি) জানিয়েছে, ফান্ডটির মেয়াদ শেষ হবে ১০ মার্চ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১-এর প্রযোজ্য নিয়মগুলো অনুসরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ফান্ডের মেয়াদ আরো ১০ বছর বৃদ্ধির অনুমোদন দেয়নি বিএসইসি। পাশাপাশি ফান্ডের মেয়াদি (ক্লোজ-এন্ড) থেকে বে-মেয়াদি (ওপেন-এন্ড) ফান্ডে রূপান্তরে সম্মতি দেয়নি বিএসইসি।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি ফান্ডটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ২৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে ফান্ডটির বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিইউ) দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৩১ পয়সায়, ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা ১১ টাকা ২৫ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি ফান্ডটির ট্রাস্টি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে ইউনিটপ্রতি আয় ছিল ৫০ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে গত ৩০ জুন শেষে ফান্ডটির এনএভিপিইউ দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ২৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে নিট আয়ের ভিত্তিতে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল ফান্ডটির ট্রাস্টি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির ইপিইউ ছিল ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৩ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ওই বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিইউ ছিল ১০ টাকা ৯৮ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১২ টাকা ৪১ পয়সা।
এশিয়ান টাইগার ফান্ডটি সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ, ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ ও ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।
২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ৬১ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। মোট ইউনিট সংখ্যা ৬ কোটি ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০। এর মধ্যে ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৮ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দশমিক ২১ শতাংশ বিদেশী ও ৬৮ দশমিক ২৭ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
গতকাল ডিএসইতে ফান্ডটির ইউনিটের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৬ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক বছরে ইউনিটটির দর ৫ টাকা ১০ থেকে ৮ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।
Posted ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam