থিয়েরি অঁরির প্রশ্ন শুনে এক মুহূর্তও দেরি না করে উত্তর দেন ডেভিড বেকহ্যাম। অঁরি জানতে চেয়েছিলেন, তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত কোনটি। জবাবে বেকহ্যাম জানান, লিওনেল মেসিকে ইন্টার মিয়ামিতে দলে নেওয়াটাই তার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।
খেলোয়াড় এবং ক্লাব মালিক হিসেবে বহু শিরোপা, ফাইনাল এবং ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছেন বেকহ্যাম। তবে তার মতে, ইতিহাসের সেরা ফুটবলারকে নিজের প্রকল্পে যুক্ত করার মতো বড় অর্জন আর কিছু নেই।
মেসির আগমনের পর থেকেই ইন্টার মিয়ামিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ক্লাবের বৈশ্বিক পরিচিতি এবং এমএলএসের জনপ্রিয়তাও বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। স্টেডিয়াম দর্শকে পূর্ণ হতে শুরু করে, জার্সি বিক্রি রেকর্ড গড়ে এবং দর্শকসংখ্যাও আগের সব সীমা ছাড়িয়ে যায়। এই প্রভাব ছিল অত্যন্ত দ্রুত ও ব্যাপক।
মেসির উপস্থিতিতে ইন্টার মিয়ামির সাফল্য শুধু এখানেই থেমে থাকেনি। লিগস কাপ জয়ের মাধ্যমে ক্লাবটি প্রথমবারের মতো বড় কোনো শিরোপা অর্জন করে। এরপর ধারাবাহিক সাফল্যে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্লাবটির অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়।
পরবর্তীতে মেসির নেতৃত্বে ইন্টার মিয়ামি চ্যাম্পিয়নস লিগের টিকিটও অর্জন করে এবং ক্লাব বিশ্বকাপেও অংশ নেয়। গত বছর দলটি প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ শিরোপা জিততে সক্ষম হয়।
ফুটবল থেকে অবসরের পর বেকহ্যামের মনোযোগ এখন সম্পূর্ণ ইন্টার মিয়ামিকেন্দ্রিক। তার মতে, ক্লাবকে মাঠে ও মাঠের বাইরে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে মেসির মতো তারকা ফুটবলারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এ কারণেই মেসিকে দলে যুক্ত করার মুহূর্তটিকেই তিনি নিজের ক্যারিয়ারের সেরা অর্জন হিসেবে বিবেচনা করছেন।