প্রবাসের পাতা ডেস্ক | সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০২৩ | প্রিন্ট | 89 বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
প্রবাসে বাংলা ভাষা, বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে কানাডার ক্যালগেরির স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেরিনস আর্ট স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রোববার (স্থানীয় সময়) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল শিশুদের নিয়ে চিত্রকলা প্রদর্শনী, মৃত্তিকা শিল্প প্রদর্শনী। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগীতশিল্পী ড. রিতা কর্মকার। সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিচালনা করেন ড. জেবুন্নেসা চপলা। শিশু কিশোরদের নিয়ে ফ্যাশন শো পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন নিগার সুলতানা পপি।
স্বনামধন্য রম্যলেখক বায়াজিদ গালিবের লেখা নাটক ‘ফ্রেন্ডশিপ’-এর নির্দেশনায় ছিলেন ক্যালগেরির জনপ্রিয় নাট্যব্যক্তিত্ব মৌ ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি ও শব্দ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী গুরুপ্রসাদ দেবাশিস ও জাহিদ হক।
সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার ও আলবার্টা সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সনদ প্রদান করেন এম এল এ পারমিত সিং বোপারাই, কোট এলিংসন ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এন্থনি জ্যাকব। সনদপ্রাপ্তরা হলেন- আর্ট স্কুলের স্বত্বাধিকারী জেরিন তাজ আহমেদ, পরিচালক বায়াজিদ গালিব, আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠায় সহায়তার জন্য ড. রিতা কর্মকার, উই উই জেন, সাংবাদিক আহসান রাজীব বুলবুল, রুপকদত্ত, সমিরন রায় ও আবীর খন্দকার। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে লোপামুদ্রা ভট্টাচার্য ও পুর্বাশা চৌধুরী সনদ লাভ করেন। এছাড়াও স্কুলের পক্ষ থেকে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী সিফাত আহসান রাজীবসহ শিশু শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারী সকল শিশুদের সনদ প্রদান করা হয়।
স্বাগত বক্তব্য দেন স্কুলের পরিচালক বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী জেরিন তাজ আহমেদ। তিনি বলেন, শিশুরা জন্মগতভাবেই চিত্রশিল্পী, আমাদের কর্তব্য তাদের লালন করা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক শেখর কুমার সান্যাল বলেন, কোমলমতি শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারাই প্রবাসে আমাদের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবে। তাদেরকে যারা পরিচালিত করছেন তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা।
জেরিন আর্ট স্কুলের পরিচালক বায়াজিদ গালিব বলেন, প্রবাসে ছোট শিশুদের নিয়ে কাজ করা খুবই কষ্টসাধ্য। ভিনদেশি বিভিন্ন ভাষার মধ্যে বাংলাকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে এই উদ্যোগ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ড. রিতা কর্মকার বলেন, এই শিশুরাই আমাদের লাল সবুজের পতাকাকে সারা বিশ্বে পরিচিত করে তুলবে। তাদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরা গর্বিত।
শিশু-কিশোর ও তাদের অভিভাবকদের পদচারণায় ক্যালগরির স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সেন্টার একখণ্ড বাংলাদেশে পরিণত হয়। সবশেষে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
Posted ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০২৩
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam