শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকেও কম নিচ্ছে বাস কাউন্টারগুলো

জাতীয় ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   118 বার পঠিত

সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকেও কম নিচ্ছে বাস কাউন্টারগুলো

সংগৃহীত ছবি

সরকারের নির্ধারণ করা ভাড়া থেকেও কম মূল্যে টিকিট বিক্রি করছে দূর পাল্লার পরিবহনের টিকিট কাউন্টারগুলো। যাত্রী কম থাকলেও আগামী ৭ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাপক চাপ হবে বলেই মনে করছেন কাউন্টারের কর্মচারীরা। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, আগের তুলনায় বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালের টিকিট কাউন্টার ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাবতলী বাস টার্মিনাল ঘিরে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আপাতত যাত্রী কম থাকলেও অনেক যাত্রী টিকিটের খোঁজে টার্মিনালে এসেছেন। কোনো কোনো কাউন্টারের টিকিট না থাকলেও কেউ কেউ ডেকে ডেকে টিকিট বিক্রি করছেন। তবে বেশি দামে টিকিট বিক্রির বিষয়ে কাউন্টারের কর্মচারীরা স্বীকার করেছে। তারা জানান, অন্যান্য সময়ের তুলনায় কিছু টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। তবে বিটিআরসির নির্ধারিত ভাড়া থেকে কম নেওয়া হচ্ছে।

বেসরকারি একটি ব্যাংকে চাকরি করেন আব্দুল মতিন। আগামী সোমবার পরিবার নিয়ে নিজ বাড়ি খুলনায় যাবেন বলে গাবতলী বাস কাউন্টারে টিকিটের খোঁজে আসেন সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারে। তিনি বলেন, আমার পরিবারের চার সদস্য নিয়ে আগামী সোমবার খুলনায় গ্রামের বাড়িতে যাব। এজন্য টিকিট কাটতে এসেছি। কিন্তু টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। কাউন্টার থেকে বলা হচ্ছে, আগামী ৭ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত টিকিট নেই। খুলনার রুটে সোহাগ পরিবহন এখনো টিকিটের দাম বাড়ায়নি।

গাবতলী বাস টার্মিনালে টিকিট কাটতে এসেছেন সোহরাব হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, আমার বাড়ি চুয়াডাঙ্গাতে। টিকিট পাওয়া যাচ্ছে, তবে ভাড়া বেশি দাবি করছে কাউন্টারগুলো। এখন ফেরি ঘাটেও সেরকম জ্যাম নেই। তারপরও ভাড়া বেশি চাওয়া হচ্ছে। অন্যান্য সময় আমরা সাড়ে ৬শ টাকায় গেলেও ঈদ আসলেই বাস ভাড়া বেড়ে যায়। তারপরও তো আমাদের বাধ্য হয়ে যেতে হয়।

টিকিটের দাম প্রসঙ্গে সোহাগ কাউন্টারের মো. সোহাগ বলেন, আমাদের টিকিটের দাম বাড়েনি। আগে যেই দামে টিকিট বিক্রি করতাম এখনো সেই একই দামে বিক্রি করছি। তবে ঈদের দাম শুরু হয়নি। আগামী রোববার থেকে যাত্রীদের চাপ শুরু হতে পারে বলে জানান তিনি।

দেশ ট্রাভেলস কাউন্টারের ম্যানেজার তুষার জানান, গাবতলী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেতে সরকার নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী ৮৩৮ টাকা গুনতে হয় যাত্রীদের। কিন্তু আমরা ৮ টাকা কমিয়ে ৮৩০ টাকা করে নিচ্ছি। প্রত্যেকটা গাড়িই পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বাসের প্রায় সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।

দর্শনা ডিলাক্সের কাউন্টারেও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। কাউন্টারের কর্মচারী শরিফুল জানান, যাত্রীর চাপ কিছুটা কম। তবে প্রতিদিনই টিকিট বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী রোববার থেকে টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি। যারা এখন আসছে তারা সবাই সহজেই টিকিট পাচ্ছে। তবে আগামীকাল থেকে হয়তো আর টিকিট পাওয়া যাবে না। কারণ, আগামীকাল শুক্রবার টিকিট বিক্রির চাপ ব্যাপকভাবে বাড়বে। তবে ঈদ উপলক্ষ্যে ভাড়া কিছু বাড়তি নেওয়া হচ্ছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

জে লাইন কাউন্টারের ম্যানেজার মো. হাকিম জানান, আমাদের গাড়ির টিকিট আছে। যাত্রীরা চাইলেই কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। তবে আপাতত যাত্রীর চাপ কম আছে। তবে সকাল থেকে তিনটি গাড়ি ছেড়ে গেছে, যেগুলো পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে গেছে।

ভাড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের নির্ধারিত ভাড়া থেকে ২৭ টাকা ভাড়া কম নিচ্ছি আমরা। সরকার নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী একজন যাত্রীকে ৭৭৭ টাকা ভাড়া গুনতে হবে। কিন্তু আমরা ঈদ উপলক্ষ্যে ১০০ টাকা ভাড়া বাড়িয়েও সরকারের নির্ধারিত ভাড়া থেকে ২৭ টাকা কম করে ৭৫০ টাকা নিচ্ছি।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১২:০৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৪

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com