| মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট | 62 বার পঠিত
সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ক্যাটাগরি পরিবর্তন
পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার বিদ্যমান ‘জেড’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ঘোষিত ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিতরণ করায় কোম্পানিটির ক্যাটাগরি পরিবর্তন হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) সিকদার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৭ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এসএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৪ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এসএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৪৯ পয়সায়।
কোম্পানিটির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আর্গাস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড।
গত বছরের ২৪ জানুয়ারি স্টক এক্সচেঞ্জে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেন শুরু হয়। এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি ১৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করেছে। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেয়াদি আমানত রাখা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় ও আইপিও খরচ খাতে ব্যবহার করছে।
২০২৪ সালে তালিকাভুক্ত সিকদার ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা চার কোটি। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ দশমিক ৭৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ৩৮ দশমিক ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল সিকদার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ২০ টাকা ৫০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১৪ টাকা ৯০ ও ৪৪ টাকা ৮০ পয়সা।
Posted ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam