| রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 110 বার পঠিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, তিনি সেনাবাহিনীকে ওরেগনের পোর্টল্যান্ড শহর ও অভিবাসন দপ্তরের (আইসিই) স্থাপনাগুলো সুরক্ষায় পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘দেশীয় সন্ত্রাসী’ ও অ্যান্টিফা হামলার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে সেনারা ‘পূর্ণ শক্তি’ ব্যবহার করবে। খবর রয়টার্স।
ট্রাম্পের এই নির্দেশের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ডেমোক্র্যাট-নেতৃত্বাধীন পোর্টল্যান্ডের মেয়র কিথ উইলসন ও ওরেগনের গভর্নর টিনা কোটেক। মেয়র উইলসন বলেন, ‘পোর্টল্যান্ড বা অন্য কোনো আমেরিকান শহরে প্রয়োজনীয় সেনার সংখ্যা শূন্য। প্রেসিডেন্ট এখানে আইন লঙ্ঘন বা সহিংসতা খুঁজে পাবেন না, যদি না তিনি নিজেই এর হোতা হন।‘
গভর্নর কোটেক বলেন, তিনি ট্রাম্প এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সরাসরি জানিয়েছেন, ‘কোনো বিদ্রোহ নেই, জাতীয় নিরাপত্তার কোনো হুমকি নেই, এবং আমাদের প্রধান শহরে সামরিক সেনার কোনো প্রয়োজনও নেই।‘
ডেটা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে পোর্টল্যান্ডে হত্যাকাণ্ডের হার গত বছরের তুলনায় ৫১% কমেছে। সমপরিমাণ জনসংখ্যার শহরগুলোর মধ্যে লুইসভিলে ৫৬টি এবং মেমফিসে ১২৪টি হত্যাকাণ্ড হলেও পোর্টল্যান্ডে এ সময়ে হয়েছে ১৭টি।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর রন ওয়াইডেন অভিযোগ করেন, ট্রাম্প ২০২০ সালের মতো এবারও সেনা পাঠিয়ে সংঘাত উসকে দিতে চাইছেন। সে সময় জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের পর পোর্টল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে বিক্ষোভ চলেছিল এবং সেনা মোতায়েনের ফলে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়।
ট্রাম্প ন্যাশনাল গার্ড নাকি সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সেনা পাঠাচ্ছেন— তা এখনো স্পষ্ট করেনি পেন্টাগন। তবে প্রতিরক্ষা দপ্তরের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশে পোর্টল্যান্ডে সেনা সমর্থনে তারা প্রস্তুত।
Posted ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam