| রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 48 বার পঠিত
দেশের বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) ‘ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’নিয়ে গোটা খাতেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে। অ্যাওয়ার্ড প্রদানে কোনো মানদণ্ড প্রকাশ না করা,কোনো জুরি বোর্ড কিংবা বিচারিক প্যানেলের মতামত কিংবা মূল্যায়ন ছাড়াই নিজেদের খেয়াল খুশি মতো অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কয়েকটি কোম্পানিকে অ্যাওয়ার্ডের জন্য বাছাই করা, আর খোদ অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত কোম্পানিগুলোর টাকায় অনুষ্ঠানের খরচ মেটানো- সব মিলিয়ে আইডিআরএর এই অ্যাওয়ার্ডকে ‘আমরা আর মামুরা’মার্কা অ্যাওয়ার্ড বলেই অভিহিত করেছেন অনেকে। এমনকি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনিও উপস্থিত হননি। খাত সংম্লিষ্ট অনেকে মনে করছেন, উপদেষ্টার এই অনুষ্ঠানে না আসাও একটি বার্তা হতে পারে যে, তিনি এমন অস্বচ্ছ আয়োজনকে সমর্থন করতে চাননি। শুধু তাই নয়, দেশের বীমা কোম্পানিগুলোর সংগঠন বিআইএ’র নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদও অনুষ্ঠানে অংশ নেননি।
আইডিআরএ’র এই বিতর্কিত অ্যাওয়ার্ড নিয়ে খাতসংম্লিষ্টদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। একাধিক কোম্পানির কর্ণধারের সঙ্গে আলাপকালে তারা অ্যাওয়ার্ড প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন,অ্যাওয়ার্ডের মূল্যায়ন পদ্ধতি কি ছিল, কোন পারফর্মেন্স, কোন ডেটা বা কোন মূল্যায়ন সূচকের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে-আইডিআরএ তা প্রকাশ করেনি। এমনকি অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানেও কোম্পানিগুলোর পারফর্মেন্স তুলে ধরা হয়নি। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি পুরস্কার দেয়, তাহলে সেটি স্বচ্ছ গবেষণা ও সুনির্দিষ্ট মূল্যায়ন সূচকের ভিত্তিতে হওয়া উচিত ছিল।
আরও বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে অনুষ্ঠান খরচ নিয়ে। অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানের খরচ স্পন্সর করেছে, যাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি কোম্পানিকে অনুষ্ঠানের খরচ বাবদ কমপক্ষে চার লক্ষ টাকা গুণতে হয়েছে। সে হিসাবে ১৩ টি কোম্পানি থেকে অন্তত ৫২ লাখ টাকা নেয়া হয়েছে। তবে খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে তাতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ বা ১৫ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। বাকী অর্থ কোন খাতে ব্যয় করা হয়েছে বা হবে সেই প্রশ্ন এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে, অনুষ্ঠানে যদি এতো টাকা খরচ নাই হয় তাহলে অতিরিক্ত এই অর্থ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কেন নেয়া হয়েছে। এটি কী আইডিআরএ’র কোনো আয়ের খাত?
খাতের পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যে কোম্পানিকে অ্যাওয়ার্ড দেয়া হবে, তারাই যদি খরচ দেয়, তখন সেটি আর স্বাধীন মূল্যায়ন থাকে না।
শুধু তাই নয়, অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের প্রচার-প্রচারণা নিয়েও হয়েছে লুকোচুরি। রহস্যজনকভাবে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের বিষয়ে অনেকটা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে দেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমগুলোকেও।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো ক্রাইটেরিয়া মেইনটেন না করে পছন্দমত কোম্পানিকে অ্যাওয়ার্ডের জন্য বাছাই করে
নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিজেই বিতর্কিতভাবে ‘প্রমোশনাল’ ভূমিকা নিচ্ছে। অথচ নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি পুরস্কারের নামে পক্ষপাত দেখায়, তখন পুরো শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এটি বাজার ও গ্রাহকের আস্থাকে নষ্ট করে।
গত ১৮ জানুয়ারি হঠাৎ করেই দেশের বীমা খাতের ১৩টি কোম্পানিকে ‘ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রদানের ঘোষণা দেয় আইডিআরএ। তবে এই পুরস্কার প্রদানের পেছনে কোন ক্যাটাগরি ও কী ধরনের মূল্যায়ন মানদন্ড অনুসরণ করা হয়েছে-তা স্পষ্ট না হওয়ায় বীমা খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন ও বিতর্ক দেখা দেয়।
প্রশ্ন ওঠে-নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে আইডিআরএর কোনো কোম্পানিকে পুরস্কার দেয়ার এখতিয়ার নিয়েও। অ্যাওয়ার্ডের স্বচ্ছতা ও মানদণ্ড নিয়ে তুমুল আলোচনা, সমালোচনা, বিতর্কের মধ্যেও
গত ২৯ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আইডিআরএ।
যদিও বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী, আইডিআরএ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হচ্ছে বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান, বীমা পলিসি গ্রাহক ও পলিসির অধীনে উপকারভোগীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বীমা শিল্পের নিয়মতান্ত্রিক উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ।
বীমা আইন, ২০১০ অনুযায়ী আইডিআরএর প্রধান দায়িত্ব হলো-বীমা কোম্পানিগুলোর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ, গ্রাহকের স্বার্থ সংরক্ষণ,আর্থিক সুশাসন নিশ্চিত করা, অনিয়ম, দুর্বলতা ও ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা মূলত বিচারক ও তদারকির, উৎসাহদাতা বা প্রশংসাকারীর নয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা পুরস্কার প্রদান করলে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কারণ-আজ যাকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে, আগামীকাল সেই কোম্পানির বিরুদ্ধেই হয়তো তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে নিয়ন্ত্রকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। ক্ষুদ্র বা সমস্যাগ্রস্ত কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলতে পারে। খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, “নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি পুরস্কার দেয়, তাহলে সেটি এক ধরনের নৈতিক স্বীকৃতি হয়ে দাঁড়ায়, যা পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে দুর্বল করতে পারে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এবার যেসব কোম্পানিকে আইডিআরএ অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে এরমধ্যে এমনসব কোম্পানিও রয়েছে যারা বিভিন্ন সময়ে বীমা আইন ও বিধিমালা ভঙ্গ করে শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করেছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের নানা অনিয়ম আইডিআরএ তদন্তও করেছে।
আইনে কি পুরস্কারের কথা বলা আছে?
আইডিআরএ বা বীমা আইন বা সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে পুরস্কার দেওয়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো বিধান নেই। ফলে প্রশ্ন উঠছে-এই উদ্যোগ কি নীতিগত সিদ্ধান্ত, নাকি প্রশাসনিক বিবেচনায় নেওয়া একটি কর্মসূচি?
বিশেষজ্ঞদের মতে, “আইনে স্পষ্ট ভিত্তি ছাড়া এমন পুরস্কার ভবিষ্যতে আইনি ও নীতিগত জটিলতা তৈরি করতে পারে।”
নিয়ন্ত্রকের পুরস্কার দেয়ার চর্চা নেই আন্তর্জাতিকভাবেও:
আন্তর্জাতিকভাবে সাধারণত-নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো রেটিং দেয় না, পুরস্কারও দেয় না বরং স্বচ্ছ রিপোর্ট, গ্রেডিং বা সতর্কতামূলক তালিকা প্রকাশ করে। পুরস্কার বা র্যাঙ্কিং সাধারণত দেয়-স্বাধীন রেটিং এজেন্সি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্প সংগঠন। এমনকি ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকেও কোনো ব্যাংককে পুরস্কৃত করার নজির নেই।
আইডিআরএর ব্যাখ্যার ঘাটতি:
আইডিআরএ বলছে, বীমা খাতে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি ও ভালো কোম্পানিগুলোর স্বীকৃতির লক্ষ্যে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত-বিস্তারিত ক্রাইটেরিয়া প্রকাশ হয়নি। সূচকভিত্তিক স্কোর জানানো হয়নি। কেন কোন কোম্পানি কোন স্থানে এসেছে-তার ব্যাখ্যা নেই। ফলে উদ্যোগটি প্রশংসার চেয়ে বিতর্কই বেশি তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান দায়িত্ব তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ। সেই অবস্থান থেকে সরাসরি পুরস্কার প্রদান করলে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। যদি ভালো পারফরম্যান্স স্বীকৃতি দিতেই হয়, তবে তা স্বাধীন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বা পূর্ণাঙ্গ, প্রকাশ্য ও যাচাইযোগ্য মানদন্ডে হওয়াই শ্রেয়।
দেশি-বিদেশি, সরকারি-বেসরকারি ও ভিন্ন প্রজন্মের কোম্পানিকে এক কাতারে মূল্যায়ন কতটা যৌক্তিক?
নিয়ন্ত্রক সংস্থার পুরস্কার প্রদানের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে মূল্যায়নের কাঠামো ও শ্রেণিবিন্যাসের ঘাটতি। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশি-বিদেশি, সরকারি-বেসরকারি এবং ভিন্ন ভিন্ন প্রজন্মের বীমা কোম্পানিকে একই মানদন্ডে মূল্যায়ন করা হয়েছে, যা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
দেশি-বিদেশি কোম্পানিকে এক কাতারে আনা, বীমা খাতে কার্যরত বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর পুঁজি কাঠামো, রি-ইন্স্যুরেন্স সক্ষমতা, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, দেশীয় অনেক কোম্পানির তুলনায় ভিন্ন ও অধিক শক্তিশালী। সেই বাস্তবতায় দেশি ও বিদেশি কোম্পানিকে একই ক্যাটাগরিতে মূল্যায়ন করা হলে ফলাফল স্বাভাবিকভাবেই অসম প্রতিযোগিতার চিত্র তৈরি করে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানির ভিন্ন বাস্তবতা:
সরকারি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানিগুলোর রয়েছে-রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি, বড় বাজার কাভারেজ, নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক ব্যবসা।
অন্যদিকে বেসরকারি কোম্পানিগুলো বাজার প্রতিযোগিতা ও ঝুঁকির ওপর নির্ভরশীল। এই ভিন্ন বাস্তবতায় সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানিকে একই সূচকে বিচার করায় পুরস্কারের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বেসরকারি নন লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোকে একই কাতারে নিয়ে আসায়। যেখানে রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটি রিইন্স্যুরেন্স কোম্পানি হিসেবেও ব্যবসা করছে। দেশীয় অন্য কোম্পানিগুলো সেখানে রিইন্স্যুরেন্স করছে।
প্রজন্মভিত্তিক বিভাজন না থাকায় অসন্তোষ:আপত্তি এসেছে প্রজন্মভিত্তিক মূল্যায়ন না থাকা নিয়ে। বীমা খাতে রয়েছে-
দ্বিতীয় প্রজন্মের (পুরনো ও প্রতিষ্ঠিত) কোম্পানি, তৃতীয় প্রজন্মের, চতুর্থ প্রজন্মের (নতুন ও প্রযুক্তিনির্ভর) কোম্পানি।
নতুন প্রজন্মের কোম্পানিগুলো এখনো বাজার বিস্তার, ব্র্যান্ড তৈরি ও পোর্টফোলিও গঠনের পর্যায়ে রয়েছে। সেখানে কয়েক দশক পুরোনো কোম্পানির সঙ্গে একই স্কেলে মূল্যায়নকে অনেকেই অবাস্তব ও বৈষম্যমূলক বলে মনে করছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, “চতুর্থ প্রজন্মের একটি কোম্পানিকে যদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কোম্পানির সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে সেটি কখনোই সমান মাঠে খেলা হয় না।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি পুরস্কার দিতেই হয়, তাহলে অন্তত-দেশি ও বিদেশি কোম্পানির জন্য আলাদা ক্যাটাগরি সরকারি ও বেসরকারি আলাদা গ্রুপ, প্রজন্মভিত্তিক (২য়, ৩য়, ৪র্থ প্রজন্ম) শ্রেণিবিন্যাস থাকা উচিত ছিল। তা না হওয়ায় এই পুরস্কার অনেকের কাছে স্বীকৃতির বদলে বিভ্রান্তির কারণ হয়ে উঠেছে।
অংশীজনদের অনেকে বলছেন, এ ধরনের একটি অ্যাওয়ার্ড যদি নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে দিতেই হতো, তাহলে আগে থেকেই পুরস্কার অর্জনের প্রয়োজনীয় মানদণ্ডের কথা উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিল। সে মানদণ্ড অনুযায়ী কোম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জনে কাজ করে যেতে পারত।
এমনকি দেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে হঠাৎ করে এ ধরনের উদ্যোগ কোনো রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল বা আনুকূল্য পাওয়ার দূরভিসন্ধি কি না সেই প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে।
Posted ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam