বাংলাদেশ ডেস্ক | রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩ | প্রিন্ট | 96 বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
‘কারবালার চেতনা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে উদ্বুদ্ধ করে। পবিত্র আশুরা সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার প্রেরণা ও শক্তি যোগায়। ১০ মহরম সমগ্র মুসলিম জাহানের জন্যে এক শোকাবহ দিন। ৬১ হিজরির এই দিনে হযরত ইমাম হুসাইন (রা.), তার পরিবারের সদস্য ও সহচররা কারবালার প্রান্তরে ফোরাত নদীর তীরে বিশ্বাসঘাতক ইয়াজিদের সৈন্যদের হাতে শাহাদাৎ বরণ করেন। ইসলামের সুমহান আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্যে তাদের এই আত্মত্যাগ ইতিহাসে চিরদিন উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।’
‘শুহাদায়ে কারবালা মাহফিল ও মার্সিয়া’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল। সুফিবাদ সার্বজনীন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শনিবার বিকেলে ঢাকার সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচি কাঁচা মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সুফিবাদ সার্বজনীন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শাহ্ সুফি আল্লামা তৌহিদুল ইসলাম চিশতী নিজামীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মুহাম্মদ আনিসুর রহমান জাফরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আল্লামা খন্দকার গোলাম মওলা নকশেবন্দী। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সোমনুন মোহেব ওয়ার্সী আল-জাহাঙ্গীর।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে আল্লামা খন্দকার গোলাম মওলা নকশেবন্দী বলেন, ১০ মহরম আশুরা মুসলিম বিশ্বে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রা.) ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্মত্যাগের ফলে ইসলাম ধর্ম সারা বিশ্বে পুনজাগরণ লাভ করে। আশুরার শিক্ষা হচ্ছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সত্যের পক্ষে কাজ করা।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেরানীগঞ্জ ফকিরনি দরবার শরীফের খাদেম শাহ্ সুফি লুৎফুর রহমান বাধন, দৈনিক একুশের সংবাদ সম্পাদক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান মজুমদার প্রমুখ। আলোচনা শেষে কারবালার জারি-সারি ও কাওয়ালি পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে পীর মাশায়েখ, ওলামায়েকেরাম ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
Posted ৮:১৭ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam