শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

জোড়া সেঞ্চুরিতে শান্ত ও মুশফিকের কর্তৃত্ব

  |   বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   65 বার পঠিত

জোড়া সেঞ্চুরিতে শান্ত ও মুশফিকের কর্তৃত্ব

জোড়া সেঞ্চুরিতে শান্ত ও মুশফিকের কর্তৃত্ব

শ্রীলংকার গলে গতকাল আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ২০২৫-২৭ চক্রের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই সকালে ১ ঘণ্টার মধ্যে এলোমেলো বাংলাদেশ। সফরকারীরা এ সময় হারিয়ে ফেলে তিন-তিনটি উইকেট। বোর্ডে রান মাত্র ৪৫। সেখান থেকে অনবদ্য লড়াইয়ে ২৪৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে প্রথম দিন বাংলাদেশের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। দিন শেষে টাইগারদের সংগ্রহ ৯০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৯২। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি করা শান্ত ১৩৬ ও দ্বাদশ সেঞ্চুরি করা মুশফিক ১০৫ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

তিন ফরম্যাট মিলিয়ে সর্বশেষ ১০ ম্যাচের মধ্যে ছিল মাত্র দুটি জয়। দুঃসময় পার করা বাংলাদেশ গল টেস্ট খেলতে নেমে ১৬ দশমিক ১ ওভারের মধ্যে হারিয়ে ফেলে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে। আরেকটি বিপদের আভাস। তখনই ত্রাতা হয়ে ওঠেন অধিনায়ক শান্ত ও দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর। বুক চিতিয়ে লড়লেন দুজন। তাদের চেষ্টায়-নিবেদনে হতাশার মেঘ কেটে গেল। পরের ৭৩ দশমিক ৫ ওভারে আর কোনো উইকেট হারায়নি অতিথি দল। উইকেটের পতন হতে দেননি শান্ত ও মুশফিক।

২২ ইনিংস পর সেঞ্চুরির দেখা পেলেন শান্ত। ২০২ বলে তিন অংক ছুঁয়েছেন তিনি। দিন শেষে ২৬০ বলে ১৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় নামের পাশে ১৩৬ রান। এটা তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ও শ্রীলংকার বিপক্ষে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে সর্বশেষ সেঞ্চুরি ২০২৩ সালের নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে। গতকাল দলের বিপদে চওড়া হলো অধিনায়কের ব্যাট। শান্তর সর্বোচ্চ টেস্ট ইনিংস লংকানদের বিপক্ষেই। ২০২১ সালে পাল্লেকেলেতে খেলেন ১৬৩ রানের ইনিংস। আজ সেই ইনিংস টপকে যাওয়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

মুশফিকের সঙ্গে ২৪৭ রানের পার্টনারশিপ শান্তর। চতুর্থ উইকেটে দেশের সর্বোচ্চ রানের জুটিটা মুশফিক ও মুমিনুলের। ২০১৮ সালে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৬৬ রান করেছিলেন দুজন।

মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে প্রায় আড়াই সেশন ব্যাটিং করে যান শান্ত। এ পথে মুশফিকও রাজসিক সেঞ্চুরি করেন। লংকানদের বিপক্ষে চতুর্থ সেঞ্চুরি পান তিনি। ১৭৬ বলে তিন অংক ছুঁয়েছেন ৩৮ বছর বয়সী এ ব্যাটার। দিন শেষে নামের পাশে ১৮৬ বলে মাত্র ৫ বাউন্ডারিতে ১০৫ রান। ২০১৩ সালে গলে ডাবল সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব দেখান ডানহাতি ব্যাটার। ১৩টি সেঞ্চুরি নিয়ে বাংলাদেশে সবার ওপরে মুমিনুল হক। এবার তার কাছাকাছি পৌঁছলেন মুশফিক।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নেয়া বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি মোটেও। ৪৫ রানের মধ্যে দুই ওপেনারসহ টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায় সফরকারী দল। শূন্য রানে সাজঘরে ফিরে যান এনামুল হক বিজয়। তাকে শিকারে পরিণত করেন পেসার আসিথা ফার্নান্দো। এর পরে নামা মুমিনুল (৩৩ বলে ২৯) চড়াও হন প্রতিপক্ষ বোলারদের ওপর। তিনি সাদমান ইসলামকে (৫৩ বলে ১৪) নিয়ে ৩৪ রান যোগ করার পর ৮ বলের ব্যবধানে দুজনের বিদায় ঘণ্টা বাজান স্পিনার থারিন্দু রত্নায়েকে। লংকানদের এ আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি। এরপর শান্ত ও মুশফিকের ব্যাটিংয়ে দিন শেষে সগৌরবে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।

 

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৫:০২ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com