| শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 122 বার পঠিত
এক সপ্তাহ হলো মারা গেছেন জুবিন গর্গ। কিন্তু শোক এখনো থামছে না। জুবিনকে স্মরণ করছেন তার ভক্তরা। জুবিনকে স্মরণ করছেন তার এলাকার মানুষ। বিষয়টি একটু হলেও চমক লাগার মতো। কেননা জুবিন দীর্ঘ সময় মূলধারার সংগীতে ছিলেন না। কিন্তু আসলে কোনো ব্যক্তি এই সমাজে, গণমাধ্যমে বা কোনো ইন্ডাস্ট্রিতে চর্চায় না থাকলেও অনেক সময় অন্যের ভালোবাসায় থাকেন। জুবিনের ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল।
শিল্পী জুবিন গর্গের উত্থানটা এই শতকের প্রথম দশকে। ২০০৬ সালে মুক্তি পায় অনুরাগ বসু পরিচালিত সিনেমা ‘গ্যাংস্টার’। মুখ্য চরিত্রে ছিলেন ইমরান হাশমী। সঙ্গে ছিলেন শাইনি আহুজা ও কঙ্গনা রানাওয়াত। একটা সিনেমাকে গান কীভাবে টেনে নিতে পারে তার আদর্শ উদাহরণ গ্যাংস্টার। নবাগত তিন অভিনেতার অভিনয় ততটা সাড়া ফেলেনি। শরীরী আবেদনের কিছু বিষয় ছিল কিন্তু গানগুলো দর্শক-শ্রোতার মন ছুঁয়েছিল। আমাদের জেমস গেয়েছিলেন ‘ভিগি ভিগি’, কেকে গেয়েছিলেন ‘তু হি মেরি শাব’, অভিজিৎ গেয়েছিলেন ‘লামহা লামহা’ আর জুবিন গেয়েছিলেন ‘ইয়া আলী’। সিডির যুগ তখন শেষ হতে হতেও হয়নি। ছিল এমপিথ্রি-এমপিফোর প্লেয়ার আর কেবল সার্ভিস প্রভাইডারদের ‘ভিডিও চ্যানেল’। সব মাধ্যমেই চলছিল গ্যাংস্টারের অ্যালবাম। এক দুই তিনদিন নয়, মেরেকেটে অন্তত এক দশক চলেছিল এই অ্যালবাম। আর জুবিনের ‘ইয়া আলী’ বাজত অলিগলিতে।
৫২ বছর বয়সে চলে যাওয়া জুবিনের ক্যারিয়ার ৩৩ বছরের। ১৯৯২ সালে ইয়ুথ ফেস্টিভ্যালে গোল্ড মেডেল পেয়ে যাত্রা করেন সংগীতে। ওই বছরেরই নভেম্বরে অসমিয়া অ্যালবাম অনামিকা দিয়ে পেশাদারি সংগীতে যাত্রা করেন তিনি। মেঘালয়ের তুয়ায় জন্ম নেয়া এ শিল্পী এরপর নিয়মিত অ্যালবাম বের করেছেন। ১৯৯৫ সালে মুম্বাই পাড়ি দেন তিনি।
Posted ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam