| সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | 39 বার পঠিত
Bankbimarkhobor.com
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতান জ্যোতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রিকেটার। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় দলের এক ক্রিকেটার জ্যোতির আচরণকে ‘স্বৈরাচারী’ বলেও মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘সে তো অধিনায়ক না, স্বৈরাচার। তার কথার বাইরে গেলে বা বিপরীত মত দিলেই রোষানলে পড়তে হয়।’
আরেক ক্রিকেটারের অভিযোগ, জ্যোতির অতিরিক্ত চিৎকার ও আচরণের কারণে তিনি নিজেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘এক ম্যাচে বল আমার কাছে আসার আগেই চিল্লানো শুরু করেন অধিনায়ক। এরপর ঘাবড়ে গিয়ে মিস করি আমি। তখন উনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছিলেন। শুধু তাই নয়, মাঠের বাইরেও উনি যেভাবে মানসিক নিপীড়ন করেন, আমি মাঝেমাঝে আল্লাহর কাছে বিচার দিই। বলি, অভিশাপ লাগে যেন।’
অভিযোগ রয়েছে, জ্যোতির কঠোর আচরণে দলের কয়েকজন ক্রিকেটার এতটাই অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন যে তারা স্রষ্টার কাছে তার বিরুদ্ধে মোনাজাত করে অভিশাপও চেয়েছেন।
জ্যোতি ২০২১ সালে বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক হন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দায়িত্ব পাওয়ার এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই নিজের প্রভাববলয় তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সরিয়ে একের পর এক নতুন মুখকে দলে আনা এবং তাদের একটি নির্দিষ্ট বলয়ের মধ্যে রাখার অভিযোগও রয়েছে।
এরপর ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ক্রমেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। এমন দাবি করেছেন দলসংশ্লিষ্টরা। এমনকি মারামারি ও গালাগালির ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনা নিয়ে বিচার-সালিশ পর্যন্ত হয়েছে বলেও জানা যায়।
গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে স্পিনার জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনার বাদ পড়া নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। দল সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র তখন দাবি করেছিলেন, অফ-স্পিনার সুমনাকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না রাখার পেছনে জ্যোতির ভূমিকা ছিল।
পারফরম্যান্স ও স্মার্টনেস দিয়ে সুমনা দীর্ঘদিন ধরেই নজর কাড়ছিলেন। অভিযোগকারীদের মতে, তাকে নিজের জন্য সম্ভাব্য হুমকি মনে করেই দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
Posted ১২:০২ পিএম | সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam