| বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট | 87 বার পঠিত
হলিউড বাঁচাতে হোয়াইট হাউজে তারকাদের চিঠি
চার শতাধিক তারকা রয়েছেন তালিকায়। রয়েছে বেন স্টিলার, কেট ব্ল্যানচেট ও সিন্থিয়া এরিভোর নামও। হোয়াইট হাউজে তারা চিঠি পাঠিয়েছেন হলিউডকে সুরক্ষিত রাখার নিশ্চয়তা চেয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমবর্ধমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার থাবা থেকে সিনেমা, টিভি শো ও সংগীতের কপিরাইট সুরক্ষিত রাখতে চান তারা। তাদের দাবি, কপিরাইট সুরক্ষিত না থাকলে টেক জায়ান্টগুলো আমেরিকার সৃজনশীলতাও শিল্পকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেবে। ঝুঁকির মুখে পড়বে পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ সৃজনশীল অর্থনীতি।
হলিউডের তীর বর্তমান বিশ্বের প্রযুক্তি জায়ান্ট, বিশেষ করে গুগল ও ওপেন এআইয়ের দিকে। প্রতিষ্ঠানগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য কপিরাইট আইন শিথিল করার পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু শিল্পীরা মনে করেছেন, এ পরামর্শ গ্রহণ করা হলে হুমকির মুখে পড়বে হলিউড। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন খাতে কাজ করে ২৩ লাখের বেশি মানুষ। খাতটি থেকে বার্ষিক আয় ২৩ হাজার কোটি ডলার। এর মধ্য দিয়ে একদিকে দেশের অভ্যন্তরের গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রভাবিত হয়। অন্যদিকে বহির্বিশ্বে প্রভাব পড়ে সফট পাওয়ার হিসেবে।
চিঠিটি এমন একটি সময়ে এল, যখন হলিউডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। গত জানুয়ারিতে মার্কিন প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর থেকে কড়াকড়ি হ্রাস করতে নির্বাহী আদেশে সই করেন। পেছনে যুক্তি ছিল প্রযুক্তিতে আমেরিকার আধিপত্য বৃদ্ধি। এদিকে গুগল ও ওপেন এআই পরামর্শ দিয়েছে তাদের এআই মডেলকে কপিরাইট থাকা কনটেন্ট দিয়ে আরো প্রশিক্ষণ দিতে হবে। নাহলে প্রতিযোগী দেশগুলো সুবিধা হাতিয়ে নেবে।
হলিউডের চিঠিটি প্রথমে পাঠানো হয়েছিল হোয়াইট হাউজের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক দপ্তরে। আয়োজকদের দাবি, তারা এখনো স্বাক্ষর সংগ্রহ করে চলছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলিউডের জন্য অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংকট তৈরি করেছে। চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও প্রযোজকরা এখন খরচ কমিয়ে আনতে আগ্রহী। কিন্তু সৃষ্টিশীলরা ভয় পান প্রযুক্তির ব্যবহারে চাকরির সংকট তৈরি নিয়ে। কাজের মানের ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
২০২৩ সালে হলিউডে যে বড় ধরনের আন্দোলন শুরু হয়, তার পেছনে অন্যতম কারণ ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সে আন্দোলনে মাশুল গুনতে হয়েছে সিনেমা নির্মাতা ও স্টুডিওগুলোকে।
ট্রাম্পের আমলে এসে সে ইস্যু আবার সামনে চলে এসেছে। হলিউডের ওপর প্রভাব বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিষ্ঠানগুলোর। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘কোনো সন্দেহ নেই, বিষয়টি বিনোদন দুনিয়ার বাইরেও চলে যাচ্ছে। কপিরাইট সুরক্ষিত কনটেন্ট ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হলে আমেরিকার পুরো সৃজনশীল খাতই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
Posted ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam