| সোমবার, ২৫ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট | 75 বার পঠিত
ডিজিটাল ব্যাংক খুলতে লাগবে কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা
দেশে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন লাগবে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। আগের নীতিমালা অনুযায়ী ১২৫ কোটি টাকা হলেই এ ধরনের ব্যাংকের লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ ছিল।
দেশে প্রচলিত ধারার ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে হলে ৫০০ কোটি টাকা মূলধনের প্রয়োজন হয়। ২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালায় বলা হয়, শাখাবিহীন ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম ১২৫ কোটি টাকা মূলধনের প্রয়োজন হবে। ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান করা হবে ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায়। আর পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশনের অধীনে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য প্রধান কার্যালয় থাকবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এটি হবে স্থাপনাবিহীন। অর্থাৎ এ ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) সেবা দেবে না। ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই হবে অ্যাপনির্ভর, মুঠোফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে। ডিজিটাল ব্যাংক থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে। গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ডিজিটাল ব্যাংক ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য দিতে পারবে। তবে লেনদেনের জন্য কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না। এ ব্যাংকের সেবা নিতে গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না। বড় ও মাঝারি শিল্পেও কোনো ঋণ দেয়া যাবে না। শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে। লাইসেন্স পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনতে হবে বলেও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়। আইপিওর পরিমাণ অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমান হতে হবে।
নীতিমালা প্রকাশের পর ওই বছরই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ডিজিটাল ব্যাংকের আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। ওই সময় অর্ধশতাধিক আবেদন জমাও হয়েছিল। পর্যালোচনা শেষে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আগের সিদ্ধান্ত থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরে এসেছে। এখন নতুন করে ৩০০ কোটি টাকা মূলধন রাখার শর্তে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
Posted ৫:৩৪ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ২৫ আগস্ট ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam