| শনিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট | 89 বার পঠিত
দরপতনের শীর্ষে এক্সিম ব্যাংক
এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ পিএলসির গত সপ্তাহে শেয়ারদর ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ কমেছে। সপ্তাহ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৬০ পয়সায়, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৫ টাকা ৬০ পয়সা। এতে ব্যাংকটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) এক্সিম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৪ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৯০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮৪ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি এক্সিম ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮২ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এক্সিম ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এক্সিম ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকায়।
এক্সিম ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ফোর’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।
২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৮৮১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪। এর ৩২ দশমিক ৪৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮ দশমিক ২৪ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৬৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
Posted ৪:২৮ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam