| বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | 183 বার পঠিত
জনাব আদিল চৌধুরী, যিনি এর আগে ব্যাংক এশিয়ায় এমডি এবং বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংক এর এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে ব্যাংকটিকে দেশের দ্বিতীয় স্থানে উন্নীত করতে সক্ষম হন। এটি ব্যাংক এশিয়ার ২৩ বছরের ইতিহাসে অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত।
যদিও জনাব আদিল চৌধুরী আমার ব্যক্তিগত পরিচিত নন, তবে তিনি দেশের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম সৎ, নিষ্ঠাবান এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্যাংকারদের একজন। এমন দক্ষ ব্যাংকাররা যদি ব্যাংকিং সেক্টরে নেতৃত্ব দেন, তবে বাংলাদেশ খুব দ্রুতই এ খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করবে—এই বিশ্বাস রাখি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত হবে, গভর্নরসহ নীতিনির্ধারকদের বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত যেন সর্বদা জনগণের স্বার্থে হয়, সে বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি রাখা। একই সঙ্গে, গত ১৫–১৬ বছরে ব্যাংক খাতে যারা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত—প্রায় ২৩–২৪ জন এমডি, বহু ডিএমডি, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা এবং অন্যান্য স্তরের কর্মচারী—তাদের আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।
জনাব আদিল চৌধুরীর মতো সৎ ও কর্মদক্ষ ব্যক্তিদের নেতৃত্বে ব্যাংকগুলো নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারবে—এটাই প্রত্যাশা।
ন্যাশনাল ব্যাংক ইনশাআল্লাহ ঘুরে দাঁড়াবে, তবে এতে সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংককেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে, যারা ব্যাংক খাতের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রোপাগান্ডা বা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এখন সময় এসেছে—সব অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাটে জড়িত এমডি, ডিএমডি, এএমডি, সিনিয়র কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার।
কারণ, “দুষ্টু গোয়াল থেকে নাই গোয়াল অনেক ভালো।”
Abdullah Fuzia
Senior Banker and Lawyer
DCCO, South Asia , EU। BOL
Ex Employee Central Bank of England
Ex Student Dhaka University
Ex Student London University
Barrister of London S’ Court
Posted ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam