| সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | প্রিন্ট | 65 বার পঠিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৫ কর্মকর্তার লকার সুবিধা খুঁজে পায়নি দুদক
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় ২৫ কর্মকর্তার সুরক্ষিত লকার বা সেফ ডিপোজিটের কিছুই পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাবেক ও বর্তমান এসব কর্মকর্তার নামে রেজিস্টারে কোনো লকার সুবিধা ছিল না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুদক। গতকাল বিকাল ৪টায় লকারের রেজিস্টার তল্লাশি শেষে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকে পৌঁছায় দুদকের আট সদস্যের একটি দল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের লকার খুলতে দুদক পরিচালক সায়েমুজ্জামান এ দলের নেতৃত্ব দেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান ও সাবেক ২৫ কর্মকর্তার কোনো লকার সুবিধা নেই বলে জানান দুদক পরিচালক কাজী মোহাম্মদ সায়েমুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের নামে লকার সুবিধা আছে কিনা পরীক্ষা করতে এসেছিলাম। ঢাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদি হাসানের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লকারের রেজিস্টার পরীক্ষা করে তাদের লকার সুবিধা পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ ২৫ কর্মকর্তার লকার সুবিধা আছে কিনা সেটি দেখা হয়।’
দুদকের এ কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘দুদকের কাছে অনেক অভিযোগ রয়েছে। সেসব অভিযোগের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশক্রমে অন্য কর্মকর্তাদেরও সুবিধা আছে কিনা সেটি দেখা হবে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে বা প্রমাণ পাওয়া গেলে যত প্রভাবশালী হোক কোনো ছাড় দেয়া হবে না।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনাক্রমে দুদকের কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের লকারের রেজিস্টার দেখেছিলেন। রেজিস্টার যাচাই করে এ ২৫ কর্মকর্তার কোনো লকার সুবিধা পাননি। এ কারণে কোনো লকার আজ (রোববার) খোলা হয়নি। ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অন্য কোনো ব্যক্তির লকার খোলার আদেশ পাওয়া গেলে খুলে দেখা হবে।’
এদিকে দুদক পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া কাজী সায়েমুজ্জামানের বিভিন্ন মন্তব্যের বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়।
Posted ৪:১৫ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam