| বুধবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ | প্রিন্ট | 70 বার পঠিত
এস কে সুর চৌধুরী, সাবেক ডেপুটি গভর্নর, মাসুদ বিশ্বাস, সাবেক প্রধান, বিএফআইইউ ও শাহ আলম, সাবেক নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক (বাঁ থেকে)
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে ব্যাংক খাত, যা অর্থনৈতিক পরিস্থিতিবিষয়ক শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই খাত রক্ষা ও তদারকির দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর। ১৫ বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে ছিলেন তিনজন, যাঁদের বিরুদ্ধে অনিয়মের সহযোগী হওয়ার পাশাপাশি অবৈধ অর্থের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ সময়ে যাঁরা ডেপুটি গভর্নর (ডিজি), আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা (বিএফআইইউ) ও অন্যান্য শীর্ষ পদে ছিলেন, তাঁদের অনেকেই অনিয়মে সহযোগিতা করার পাশাপাশি সুবিধাভোগী ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গতকাল মঙ্গলবার সাবেক ডিজি সিতাংশু কুমার (এস কে) সুরকে চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে। আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। এর আগে সম্পদের বিবরণী নোটিশের জবাব না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সাবেক প্রধান মাসুদ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। এ ছাড়া সংস্থাটি যাঁকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত ধ্বংসের কারিগর হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়, সেই নির্বাহী পরিচালক শাহ আলমের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান করছে। দ্রুতই মামলা হতে পারে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে মুজেরী এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিগত সময়ে একটা চক্র গড়ে উঠেছিল। যার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে তৎকালীন সরকার। এই চক্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারাও ছিলেন। এ জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে, জেলে যেতে হচ্ছে। যাঁরা অনিয়মে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের সবার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নইলে বিচার পরিপূর্ণ হবে না। এতে অন্যরা আবার একই পথে হাঁটবে।’
Posted ১২:১৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam