| রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | প্রিন্ট | 66 বার পঠিত
দুর্বল ব্যাংকের সমস্যা উত্তরণের উপায় কী?
বাংলাদেশের ব্যাংক খাত স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্দিন পার করছে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে আজ অব্দি কেটে গেছে প্রায় ৫৪টি বছর। এ দেশের অর্থনীতির আকার আয়তন যেভাবে বেড়েছে ঠিক তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেড়েছে এ দেশের ব্যাংক খাত। ১৯৭২ সালে ব্যাংক পুনর্গঠনের পর আশির দশকের শুরুতে এ দেশে ব্যাংক খাতে ব্যক্তিমালিকানা তথা প্রাইভেটাইজেশনের পথচলা শুরু। ব্যক্তিমালিকানায় বাণিজ্যিক ব্যাংকের পাশাপাশি অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সে সময় শুরু হয় ইসলামী ব্যাংকিং। সত্যি বলতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনসংখ্যার এ বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং খুবই জনপ্রিয়তা পায়। ইসলামী ব্যাংকিংয়ের জনপ্রিয়তা শুধু বাংলাদেশেই বেশি এ রকম তথ্য ঠিক নয়। ওই সময় বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ যেমন মিসর, ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ইত্যাদি দেশেও ইসলামী ব্যাংকিং দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। ৯০-এর গণ-আন্দোলন পরবর্তী গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে বাংলাদেশে বেসরকারি অনেক বাণিজ্যিক ব্যাংক অনুমোদন পায় এবং পরবর্তী সরকারগুলোর সময়ও এ ধারা অব্যাহত থাকে। সেই সময়ে ব্যাংকের অনুমোদনের ক্ষেত্রে ব্যবসা ও অর্থনীতির অন্যান্য নির্দেশকই ছিল মূল বিবেচ্য বিষয়। কিন্তু সদ্য বিদায়ী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর তাদের অর্থনৈতিক অনেক ভ্রান্ত নীতির মতো ব্যাংক খাতেও ভ্রান্ত নীতির কালো অধ্যায় শুরু হয়। পতিত সরকার ব্যাংক খাতে নগ্ন হস্তক্ষেপ করে রাজনৈতিক বিবেচনায় বাণিজ্যিক ব্যাংকের অনুমোদন, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠন, পুনর্গঠন, আইন-আদালত ব্যবহার করে বাণিজ্যিক ব্যাংককে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের মাধ্যমে। এসবের মাধ্যমে তারা একটি ধনিক লুটেরা গোষ্ঠী তৈরি করে এবং অনবরত পৃষ্ঠপোষকতা দিতে থাকে। লুটেরা ধনিক, অসাধু সেসব ব্যাংক ব্যবসায়ী তাদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের নানা সুবিধা দিয়ে ব্যাংক লুণ্ঠনে নিয়োজিত থাকে এবং তাদের নিজেদেরও আখের গুছিয়ে নেয়। এভাবেই এ দেশের ব্যাংক খাতে একের পর এক নেমে আসে ভয়াবহ দুর্যোগ। একদিকে খেলাফি ঋণ হয়ে যায় আকাশচুম্বী, অন্যদিকে তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংক তাদের আমানতকারীদের জমা অর্থ ফেরত দিতে অসমর্থ হয়। তথ্য গোপন করে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের বিভিন্ন মহলের নীতিনির্ধারকেরা ওই সব ব্যাংককে টাঁকশাল থেকে টাকা ছাপিয়ে সাহায্য করে এবং লুটেরাদের অসাধু কর্মকাণ্ডে সহযোগীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ অনেক কর্তাব্যক্তির পলায়ন অথবা আত্মগোপনের ঘটনাই প্রমাণ করে এরূপ অসাধু এবং দুর্নীতিপূর্ণ ব্যাংক লুটের ক্ষেত্রে তাদের সম্পৃক্ততা।
তবে বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশে ব্যাংক খাতের বর্তমান দুরবস্থা রাতারাতি তৈরি হয়নি। বাণিজ্যিক ব্যাংকিং এমন এক ধরনের আর্থিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান যে তাদের লোকসানের সম্ভাবনা বেশ কম। কারণ বাণিজ্যিক ব্যাংক একদিকে আমানতকারীদের কাছ থেকে উদ্বৃত্ত অর্থ আমানত হিসাবে জমা রাখে এবং সেই অর্থই বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণ করে বাকি অর্থ ঋণ অথবা বিনিয়োগ করে। ঋণ আর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মৌলিক কোনো পার্থক্য না থাকলেও গতানুগতিক বাণিজ্যিক ব্যাংক যাকে ঋণ বলে, ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে তা-ই বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত এবং বহুল ব্যবহৃত শব্দ। ব্যাংক তুলনামূলক কম সুদে বা লাভে আমানতকারীদের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে এবং বেশি সুদে বা লাভে ঋণ বিতরণ অথবা বিনিয়োগ করে। ঋণের সুদ ও আমানতের সুদের যে পার্থক্য তা ব্যাংকের জন্য নিট সুদ আয়। বর্তমান সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকের আয়ের আরো অনেক খাত রয়েছে। এসব ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে নিয়োজিত হয়ে ঋণপত্র/গ্যারান্টি ইস্যু করে কমিশন পেতে পারে, এমনকি দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ব্যাংকিং পরিষেবা দিয়ে ফি, কমিশন, চার্জ ইত্যাদি সুদ-বহির্ভূত আয় করে। নিট সুদ ও সুদ-বহির্ভূত আয় থেকে ব্যাংক তাদের খরচ নির্বাহ করে এবং সর্বোপরি নিট মুনাফা করে।
বাণিজ্যিক ব্যাংক যেহেতু আর্থিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তাই তাদের লোকসান যদি হয়ও, তা হবে তাদের নিজস্ব ও নীতিগত দুর্বলতার কারণে। বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূল সমস্যা দুটি। এক. উচ্চ মাত্রার খেলাফি ঋণ এবং দুই. তারল্য সংকট। প্রথমেই আসা যাক উচ্চ খেলাপি ঋণের কথায়। উচ্চ খেলাপি ঋণের জন্য ব্যাংকের মালিক ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষই দায়ী। তারা যোগসাজশে, নামে-বেনামে নিম্ন মানের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মক্কেলকে ঋণ দিয়েছে এবং অবৈধ সুবিধা নিয়েছে। দেশ থেকে লাখ হাজার কোটি টাকা পাচারে তারা সাহায্য করেছে। অভ্যন্তরীণ ও নিরীক্ষকদের আঁতাতের মাধ্যমে খেলাপি ঋণের সঠিক চিত্র জনগণের সামনে আনেনি, ভুল ও মনগড়া তথ্য সন্নিবেশ করে আর্থিক বিবরণী তৈরি করেছে এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো ওই সব আর্থিক বিবরণী গ্রহণও করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসাবের কারসাজি করেও খেলাপি ঋণ কম দেখিয়ে কাগজে-কলমে মুনাফা দেখাতে সাহায্য করেছে। সুতরাং আজকে বাংলাদেশে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের দুরবস্থার জন্য ব্যাংক নিজে এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বা সংস্থাগুলোর ভ্রান্ত নীতি দায়ী। দ্বিতীয় যে সমস্যা তথা তারল্য সংকট তা প্রথম সমস্যার প্রতিফল মাত্র। স্বৈরাচার পতনের পরপরই অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে বেশকিছু ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় এবং নতুন করে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়ে পর্ষদ পুনর্গঠন করে দেয়। পুনর্গঠিত পরিষদ দায়িত্ব নেয়ার পরপরই একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারির চিত্র জনসম্মুখে আসতে থাকে। কোনো কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বাস্তবে ৫০-৬০ ভাগ বা তার চেয়ে হয়তো বেশি কিন্তু আগের ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কাগজে-কলমে দেখিয়েছে পাঁচ-ছয় শতাংশ। নতুন পর্ষদ দেখতে পেল ব্যাংকের কোষাগার একেবারেই খালি। সব লুট হয়ে গেছে। এসব তথ্য বেরিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমানতকারীদের মাঝে ভয় ও অবিশ্বাসের শুরু হয়। প্রয়োজন না থাকলেও অনেক আমানতকারী দুর্বল ও লুট হওয়া এসব ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ওই সময়ে কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তির দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের জন্যও আমানতকারীদের আস্থায় চির ধরে।
এ দেশের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথমে গ্যারান্টি স্কিমের আওতায় তারল্য সহায়তার বন্দোবস্ত করে, যেখানে তারল্যে উদ্বৃত্ত ব্যাংক সংকটে পড়া ব্যাংককে ধার দেয়। স্বল্পমেয়াদি এসব ধারে সুদের হার যথেষ্ট বেশি এবং বর্তমানে অনেক ব্যাংক উচ্চ সুদ পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে। প্রথমে রাজি না থাকলেও পরে বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা ছাপাতে বাধ্য হয় এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোকে ঋণ সহায়তা দেয়। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এর চেয়ে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না।
এখন প্রশ্ন হলো দুর্বল এসব ব্যাংককে উদ্ধারের উপায় কী? প্রথমেই কথা হলো ব্যাংক বন্ধ করে দেয়া কোনো কার্যকর সমাধান নয়। মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলা কাম্য নয়। ডাক্তারি বিদ্যায় যেমন মাথাব্যথার জন্য মাথা না কেটে ওষুধপথ্যের মাধ্যমে রোগ সমাধানের দাওয়াই আছে, ঠিক তেমনি বাংলাদেশে ব্যাংক খাতের সমস্যা সমাধানের জন্যও স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ রয়েছে। সমাধানের কিছু পথ ব্যাংকের নিজস্ব এবং কিছু সরকার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে নীতিগত। ব্যাংকের নিজস্ব যেসব কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন তা হলো প্রথমেই দুর্বল ব্যাংকগুলোর নিজস্ব খরচ কমাতে হবে। খরচগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করতে হবে যথা স্থায়ী ও পরিচালন। ব্যাংকারদের বেতন ভাতা, বোনাস, গাড়িসহ অন্যান্য সুবিধা আমলে নিলে ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য খরচ হয় এসব খাতে। একটি ব্যাংক ভালো থাকা অবস্থায় ব্যাংকাররা যে হারে বেতন-ভাতা এবং সুবিধা পেতেন, ব্যাংকের দুঃসময়ে বিশেষত অস্বীকার করার উপায় নেই যে এসব ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশেই ব্যাংকের দুরবস্থা; এরূপ দুর্দিনে ব্যাংকাররা একই সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন না। ব্যাংকের দুরবস্থার দায় শুধু আমানতকারী এবং রাষ্ট্র কেন একা বয়ে বেড়াবে? দুরবস্থার দায় ব্যাংকারদেরও নিতে হবে। এরপর আসা যাক অনেক দুর্বল ব্যাংকের শাখা ও উপশাখার বিষয়ে। বর্তমানে যেহেতু এসব ব্যাংকের ঋণ বিতরণ এবং আমানত গ্রহণ কার্যক্রম প্রায় বন্ধ, সুতরাং শুধু শুধু আবেগের বশে ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা খোলা রাখার মানে হয় না। উচিত হবে অতিসত্বর এসব ব্যাংকের অপ্রয়োজনীয় শাখা-উপশাখা চিহ্নিত করা এবং সেগুলো বন্ধের কার্যক্রম শুরু করা। বন্ধ হওয়া শাখা-উপশাখার কার্যক্রম নিকটবর্তী শাখা-উপশাখায় স্থানান্তর করা। সেক্ষেত্রে দুর্বল এসব ব্যাংক প্রচুর ভাড়া খরচ হ্রাস করতে পারে। এরপর এসব দুর্বল ব্যাংকের অপ্রয়োজনীয় লোকবল চিহ্নিত করতে হবে। ব্যাংকের কার্যক্রম যেহেতু আংশিক, তাই শতভাগ জনবল এ মুহূর্তে অপ্রয়োজনীয়। সেক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ ছাঁটাই করলে অনেকে বেকার হয়ে যাবে এবং তাদের পরিবার-পরিজন দুর্ভোগে পড়তে পারে বিধায় স্বল্পমেয়াদি ছাঁটাই করা যেতে পারে। এ মুহূর্তে অপ্রয়োজনীয় মনে হলেও ব্যাংকের অবস্থা ভালো হলে এসব অভিজ্ঞ জনবলকে পুনর্নিয়োগে অগ্রাধিকার দেয়া যেতে পারে। দৈনন্দিন বিলাসবহুল অনেক খরচ স্থগিত রাখার পাশাপাশি লোক দেখানো অনেক খরচ অবশ্যই বর্জনীয়। লক্ষ করা যাচ্ছে দুর্বল সমস্যা জর্জরিত কিছু কিছু ব্যাংক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্পন্সর করছে। যেখানে ব্যাংকের মূল স্টেকহোল্ডার আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাচ্ছে না, সেখানে এসব খরচ বলাবাহুল্য। সঙ্গে সঙ্গে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে এসব দুর্বল ব্যাংকের তারল্য সহায়তা তুলনামূলক কম সুদে হওয়া উচিত।
নীতি সহায়তার ক্ষেত্রে সরকার এসব ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক করার পদক্ষেপ নিতে পারে। কম ঝুঁকির স্বল্প পরিসরে ঋণ/বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতেই হবে। লক্ষণীয় গ্যারান্টি স্কিম অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তার টাকা থেকে ঋণ বিতরণ এবং অভ্যন্তরীণ খরচ নির্বাহ করা যাবে না। দুর্বল এসব ব্যাংকের আমানতের প্রায় পুরো টাকাই খেলাপি হওয়ার পথে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তা আমানতকারীদের দায় মেটাতে যথেষ্ট হবে না। সুতরাং দুর্বল এসব ব্যাংকের নিজস্ব আয়ের সংস্থান করার বিকল্প নেই। অল্প যা কিছু ভালো ঋণ আছে এবং তা থেকে আহরিত সুদ/লাভ অচিরেই শেষ হয়ে যাবে। তখন এসব ব্যাংক কোনোভাবেই বেতন ভাতাসহ স্থায়ী ও পরিচালন ব্যয় নির্বাহ করতে পারবে না। সেজন্য সরকারের উচিত হবে দুর্বল এসব ব্যাংকের মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যের গ্যারান্টির বিপরীতে সরকারি গ্যারান্টি দেয়া, দেশের অনেক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানত এসব ব্যাংকে রাখতে উৎসাহিত করা, এসব ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি সেবা-পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থা করে তাদের ফি, কমিশন, চার্জসহ অন্যান্য সুদ-বহির্ভূত আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
এভাবে একদিকে দুর্বল ব্যাংকের খরচ কমাতে হবে এবং আয় বাড়ানোর মাধ্যমে ব্যাংকের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এতে এসব ব্যাংকে নতুন আমানত বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াবে। সেজন্য ব্যাংকের নিজস্ব উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার, নিয়ন্ত্রণকারী এবং সমাজের সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
ড. শহীদুল জাহীদ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক এবং ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্চের চেয়ারম্যান
Posted ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam