শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

আমাদের ব্যাংক ঋণের সুদের হার এক ডিজিটে নামিয়ে আনা প্রয়োজন

  |   বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   214 বার পঠিত

আমাদের ব্যাংক ঋণের সুদের হার এক ডিজিটে নামিয়ে আনা প্রয়োজন

আমাদের ব্যাংক ঋণের সুদের হার এক ডিজিটে নামিয়ে আনা প্রয়োজন

জ্বালানি সংকট, মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংকের সুদহার ৯ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে বৃদ্ধিসহ নানান প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশের তৈরি পোশাক শিল্প। এর মধ্যে সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের ৩৭ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কারোপ বাড়তি চাপ হিসেবে কাজ করছে। ইউরোপের বাজার থেকে পণ্যের দাম কমানোর প্রস্তাব আসছে।

এছাড়া আমাদের সোর্স ট্যাক্স বা উৎসে কর দিতে হয় ১ শতাংশ। শুরুতে এটি দশমিক ২৫ শতাংশ ছিল, তারপর দশমিক ৫০ হয়। এখান থেকে আবার দশমিক ৬০ করা হয়। তারপর এক লাফে সোর্স ট্যাক্স ১ শতাংশ করা হয়, যা আমাদের জন্য অনেক বেশি। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে, সোর্স ট্যাক্স যেন অন্তত দশমিক ৫০ শতাংশে সীমাবদ্ধ করা হয়। সেই সঙ্গে বাজেটে যেন আমাদের ব্যাংক ঋণের সুদের হার এক ডিজিটে নামিয়ে আনা হয়। সেক্ষেত্রে যেসব প্রণোদনা আমরা আগে পেতাম বা এখনো টুকটাক পাই, তা আমাদের না হলেও চলবে। কারণ প্রণোদনা আগে ছিল ৫ শতাংশ, এখন তা কমিয়ে ১ শতাংশে নিয়ে আসা হয়েছে। কাগজপত্র ছাপাতে যে টাকা লাগে, ১ শতাংশের প্রণোদনা তাতেই খরচ হয়ে যায়।

এছড়া আমরা চাই, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ম্যান মেড ফাইবার (এমএমএফ) খাতে উন্নতি করতে যেসব সহযোগিতা প্রয়োজন, বিশেষ করে মেশিনারিজের ক্ষেত্রে, তা যেন সরকার করে। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। তার পরও ম্যান মেড ফাইবার বাংলাদেশে আছে কিন্তু সেভাবে আমরা বিকশিত হতে পারিনি। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং আমরা এ চেষ্টাকে আরো ত্বরান্বিত করব বলে আশা রাখি।

পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে শ্রমিকদের রেশনিং, ফেয়ার শপ প্রভৃতির আবেদন জানাচ্ছি। কারণ ‘আমরা যে দামে কিনব সে দামেই বিক্রি করব’, ‘আমরা টিসিবি থেকে মালামাল নেব’—এসব আসলে আগের সরকারের লোক দেখানো ঘোষণা ছিল। সে সময়ে আমি ফেয়ার শপের জন্য বিল্ডিং প্রস্তুত করেছি, আসবাব তৈরি করেছি, কিন্তু আমরা যখন আবেদন করেছি তখন আমাদের সেটি আর দেয়া হয়নি। তাই ফেয়ার শপের বিষয়টি বাস্তবায়িত হলে এটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে। তৈরি পোশাক শিল্পেই প্রায় ৫০ লাখ পরিবার আছে। রফতানিমুখী শিল্প- গার্মেন্টস, অ্যাকসেসরিজ, স্পিনিংসহ সবকিছুতে প্রায় এক কোটি শ্রমিক কাজ করে। রফতানিতে যারা যুক্ত সবাইকে এ সুযোগ দিতে হবে। শ্রমিকরা যদি কম দামে পণ্য পায় তাহলে তাদের অনেক টাকা সঞ্চয় হবে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে সন্তুষ্টি কাজ করবে। আমরা চাই, তৈরি পোশাক খাতে সরকার কারখানাভেদে শ্রমিকদের জন্য রেশন ব্যবস্থা চালু করুক।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৪:৩৫ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

bankbimarkhobor.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক
মোঃ ইসলাম শেখ
কার্যালয়

৭৯, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড, (৩য় তলা, বাম দিক), সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭

01760742336

bankbimarkhobor@gmail.com