| বুধবার, ০৭ মে ২০২৫ | প্রিন্ট | 111 বার পঠিত
দেশজুড়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের টেকসই উদ্যোগ
টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে কৃষি, শিক্ষা, উদ্যোক্তা তৈরি, পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা—এ ছয় খাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। এসব উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব দেশের নানা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের সিইও নাসের এজাজ বিজয় বলেন, ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের জন্য উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, পরিবেশ রক্ষা, কৃষিকে শক্তিশালী করা, উদ্ভাবনে সহায়তা এবং প্রয়োজনের সময় কমিউনিটির পাশে দাঁড়ানো সংক্রান্ত খাতগুলোয় বিনিয়োগ করেছে।’
কৃষি খাতে দেশের ২৩টি জেলায় ১১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। পাশাপাশি চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাতটি গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন করা হয়েছে, যা কৃষিতে নতুন উদ্ভাবন ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে।
স্বাস্থ্য খাতে সারা দেশে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে ১১ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে সেবা দেয়া হয়েছে। ভাসমান হাসপাতালের মাধ্যমে দুর্গম গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ চিকিৎসা পেয়েছে। ১১৮ জন নার্সকে প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি চারটি কমিউনিটি হাসপাতালে মেডিকেল অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে।
ইউসেপের সহযোগিতায় ফিউচারমেকার্স কর্মসূচির আওতায় প্রায় সাত হাজার তরুণকে দক্ষতা উন্নয়ন ও চাকরিসংক্রান্ত সহায়তা দিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে একটি কনফারেন্স সেন্টার ও শিক্ষক লাউঞ্জ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাগো ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি তরুণ-তরুণীকে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড অনলাইন লার্নিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
খুলনা মুক্তি সেবা সংস্থা এবং বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যৌথভাবে ফুলচাষের উন্নয়ন ও প্লাস্টিক দূষণ হ্রাসে কাজ করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। এছাড়া ৫০ হেক্টর জমিতে ম্যানগ্রোভ বন তৈরি করতে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে।
উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখের বেশি মানুষকে জরুরি সহায়তা দিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। গত কয়েক বছরে দেশের উত্তরাঞ্চলে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে শীতবস্ত্র দেয়া হয়েছে। চরাঞ্চলের বন্যা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বন্যাকালীন সুরক্ষার জন্য আটটি প্লিন্থ তৈরি করা হয়েছে।
Posted ৪:২৪ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০৭ মে ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam