আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) এনসিসি ব্যাংকের আয় হয়েছে ৬২৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৪৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়েছে ৬৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ।প্রথম প্রান্তিকে এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৭৪ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এনসিসি ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৭ পয়সায়।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এনসিসি ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮২ পয়সায়।
এনসিসি ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (ক্রিসল)।