| বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 66 বার পঠিত
ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে নীতিসহায়তা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালায় মাত্র ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দেয়া যাবে। এক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতারা দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড পাবেন। এ বিষয়ে সব ব্যাংককে সম্প্রতি নির্দেশনা পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট খাতের সর্বনিম্ন সুদহারের চেয়েও ১ শতাংশ কম সুদে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠন করা যাবে। সব ব্যাংকই ঋণগ্রহীতাদের এ সুবিধা দিতে পারবে। তবে ৩০০ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাছাই কমিটির নীতিসহায়তা চাইতে পারবে ব্যাংকগুলো। জাল-জালিয়াতি বা অন্য কোনো প্রতারণার মাধ্যমে নেয়া ঋণের ক্ষেত্রে অবশ্য এ সুবিধা দেয়া যাবে না। এমনকি ব্যাংক থেকে চূড়ান্তভাবে ঘোষিত ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা এ সার্কুলারে বর্ণিত সুবিধা পাবে না। কেবল প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতার ক্ষতির পরিমাণ এবং প্রতিষ্ঠানের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে বিবেচনায় নিয়ে পুনঃতফসিল, পুনর্গঠন বা এক্সিটের মেয়াদকাল নির্ধারণ করতে হবে।
বিগত সরকারের সময়ে বিশেষ বিবেচনায় ঋণ পুনঃতফসিল, পুনর্গঠনসহ নানা সুবিধা দিয়ে খেলাপি ঋণ কম দেখানো হতো। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তা হু-হু করে বাড়ছে। এরই মধ্যে খেলাপি ঋণ দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ অবস্থায় গত জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি কমিটি গঠন করে বিশেষ বিবেচনায় খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দিয়ে আসছিল। এখন তা ব্যাংকগুলোর হাতে ছেড়ে দেয়া হলো।
Posted ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimarkhobor.com | Mr. Islam